-
দারুণ শুরু এনে দেওয়ার দায়িত্ব তামিম ইকবালের (মাঝে)। সাকিব আল হাসানকে অবশ্য ব্যাটে-বলে সমান দিতে হবে। এই দুই জনের সঙ্গে নেটের অনুশীলনে সমান মনোযোগী হলেন সৌম্য সরকারও। ছবি: বিসিবি
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো করতে টপ অর্ডারের দিকে তাকিয়ে আছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাংলাদেশ অধিনায়কের বিশ্বাস, থিতু হতে পারলে এবার বড় ইনিংস খেলবেন তারা।
শনিবার ব্রিসবেনের গ্যাবায় বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সাইক্লোন ম্যার্সিয়ার প্রভাবে হওয়া প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটি পণ্ড হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বলেন, “(আফগানিস্তানের বিপক্ষে) টপ অর্ডারের শুরুটা ভালো ছিল, পরে একটা ধস নামে। সবাই রান করতে উন্মুখ, সবাই চেষ্টা করবে নিজের সেরা দিতে।”
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১০৫ রানে জেতা ম্যাচে উইকেটে থিতু হয়ে আউট হন তামিম ইকবাল, এনামুল হক ও সৌম্য সরকার।
দারুণ জয়ে শুরুটা ভালো হয়েছে বাংলাদেশের। উজ্জ্বীবিত মাশরাফিরা পরের ম্যাচগুলোতে ভালো করার রসদ নিতে চান অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ থেকে।
“হারানোর কিছু নেই আমাদের এই ম্যাচে। সব কিছুই আমাদের পক্ষে। গ্যাবায় খেলা ভিন্ন একটা অভিজ্ঞতা হবে। এখানে ভালো করলে পরের ম্যাচগুলোতে ভালো করতে আত্মবিশ্বাস যোগাবে।”
২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সুখস্মৃতি থেকে অনুপ্ররেণা খুঁজছে বাংলাদেশ।
“এটা আমাদের জন্য ভালো স্মৃতি, তবে অনেক দিন আগের কথা। ভালো ক্রিকেট খেললে, যে কাউকে হারানো সম্ভব। আমরা খেলতে উন্মুখ। আমরা নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে চাই।”
মাশরাফির বিশ্বাস, স্বাগতিকদের বিপক্ষেও মাঠে বাংলাদেশের প্রচুর সমর্থক উপস্থিত থাকবেন। তিনি বলেন, “ক্যানবেরায় এতো দর্শক ছিল, মনে হয়েছিল মিরপুর বা চট্টগ্রামে খেলছি। বিদেশে খেলতে এসে এতো সমর্থন পাবো চিন্তাই করিনি। তাদের উপস্থিতিতে আমরাও রোমাঞ্চিত।”
শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বলেন, “(আফগানিস্তানের বিপক্ষে) টপ অর্ডারের শুরুটা ভালো ছিল, পরে একটা ধস নামে। সবাই রান করতে উন্মুখ, সবাই চেষ্টা করবে নিজের সেরা দিতে।”
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১০৫ রানে জেতা ম্যাচে উইকেটে থিতু হয়ে আউট হন তামিম ইকবাল, এনামুল হক ও সৌম্য সরকার।
দারুণ জয়ে শুরুটা ভালো হয়েছে বাংলাদেশের। উজ্জ্বীবিত মাশরাফিরা পরের ম্যাচগুলোতে ভালো করার রসদ নিতে চান অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ থেকে।
“হারানোর কিছু নেই আমাদের এই ম্যাচে। সব কিছুই আমাদের পক্ষে। গ্যাবায় খেলা ভিন্ন একটা অভিজ্ঞতা হবে। এখানে ভালো করলে পরের ম্যাচগুলোতে ভালো করতে আত্মবিশ্বাস যোগাবে।”
২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সুখস্মৃতি থেকে অনুপ্ররেণা খুঁজছে বাংলাদেশ।
“এটা আমাদের জন্য ভালো স্মৃতি, তবে অনেক দিন আগের কথা। ভালো ক্রিকেট খেললে, যে কাউকে হারানো সম্ভব। আমরা খেলতে উন্মুখ। আমরা নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে চাই।”
মাশরাফির বিশ্বাস, স্বাগতিকদের বিপক্ষেও মাঠে বাংলাদেশের প্রচুর সমর্থক উপস্থিত থাকবেন। তিনি বলেন, “ক্যানবেরায় এতো দর্শক ছিল, মনে হয়েছিল মিরপুর বা চট্টগ্রামে খেলছি। বিদেশে খেলতে এসে এতো সমর্থন পাবো চিন্তাই করিনি। তাদের উপস্থিতিতে আমরাও রোমাঞ্চিত।”
Post a Comment
Facebook Disqus