বিএনপি জোটের লাগাতার অবরোধের মধ্যে একুশে ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রামের খুলশী থানার সেগুনবাগান ওয়ার্লেস স্কুল মার্কেটের একটি দোকানে হাতবোমা বিস্ফোরণে দুই তরুণ আহত হয়েছেন।
বর্তমান বার্তা প্রতিনিধি/চট্রগ্রাম/বর্তমান বার্তা ডট কম / ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৫ঃশনিবার দুপুর ১টার এ ঘটনায় আহতরা হলেন শাহ আলম মনু (২০) ও মো. মনির হোসেন (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয়দের দাবি, আহত দুজন ২০ দলীয় জোটের সঙ্গে যুক্ত। তবে আহতরা বলছেন, দোকানের সামনের সড়কে হাতবোমা বিস্ফোরণে তারা আহত হন।
আহত মনু নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার শিবপুর এলাকার মো. জামালের ছেলে। তিনি নগরীর খুলশী থানার সেগুনবাগান তিন নম্বর লেইনের বাসিন্দা।
আরেক আহত মনির কুমিল্লার দুবিয়ার দিঘী এলাকার হাজী নুরুল ইসলামের ছেলে এবং নগরীর খুলশী থানার টিঅ্যান্ডটি ওয়ার্লেস কলোনির বাসিন্দা।
খুলশী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুকান্ত চক্রবর্তী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, জামাল এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ইট-বালুর দোকানে এ দু’জন বসা ছিল।
“প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, আগে থেকে বানিয়ে রাখা ককটেলটি নড়াচড়ার কারণে বিস্ফোরিত হয়ে তারা আহত হয়েছে।”
ঘটনার সময় ওই এলাকা দিয়ে পুলিশের একটি টহল দল যাচ্ছিল বলে জানান তিনি।
বেলা সোয়া ২টার দিকে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, জামাল এন্টারপ্রাইজ নামের ওই দোকানে পুলিশ তালা লাগিয়ে দিয়েছে। দোকানের সামনে ইট-বালু স্তূপ করে রাখা।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দোকানটির মালিক স্থানীয় জামাল নামের এক ব্যক্তি। আহতরা ওই দোকানের কর্মচারী। তারা দোকানে বসা অবস্থায় হাতবোমাটি বিস্ফোরিত হয়।
আহত দুইজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির নায়েক আবদুল হামিদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, দুই জনই ডান পায়ে আঘাত পেয়েছে। এক্সরে করিয়ে তাদের ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত মনু ও মনির হাসপাতালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ককটেলের বিষয়ে কিছুই জানা নেই তাদের। দোকানের সামনে দাঁড়ানো অবস্থায় আকস্মিক বিস্ফোরণে তারা জখম হন।
পরিদর্শক সুকান্ত চক্রবর্তী বলেন, “আহতরা ২০ দলীয় জোটের রাজনীতির সাথে জড়িত। কোথায় কখন নাশকতার জন্য ককটেল দোকানে রাখা হয়েছিল তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”
ঘটনার পর র্যাব-৭ এর একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
Post a Comment
Facebook Disqus