বর্তমান বার্তা ডট কম /২৩ মার্চ ২০১৫/ জোয়েল ব্রাইন্ড বর্তমান সময়ে আলোচিত এক বিজ্ঞানী। টানা ৪০ বছর এই এক বিষয়ের ওপর গবেষণা অব্যাহত রাখলেন। তারপর তিনি সিদ্ধান্তে এলেন, গর্ভপাত স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
তিনি তার এই তত্ত্বে বলেছেন, যখন একজন মা
গর্ভবতী হন তার কয়েক দিনের মধ্যেই গর্ভাশয়ের সূক্ষ্ম কণিকাগারে অসংখ্য পরিমাণ বিভিন্ন প্রকার হরমোন নিঃসৃত হয়। এর মধ্যে এস্ট্রোজেন নামে এক রকম হরমোন আছে। সন্তানের সেবাযত্ন নেয়ার জন্য এ হরমোনটি মায়েদের স্তন পুনর্গঠনে কাজ করে। এ জন্য প্রথম গর্ভধারণের শুরুর দু-চার মাসের মধ্যে মেয়েদের স্তন পরিপূর্ণ আকারের গঠন পায়। কিন্তু তখনো স্তনের টিসুগুলো থাকে অপরিপক্ব। অন্য কথায় বলা যায়, তখন স্তন প্রচুর দুধ উৎপাদনের উপযোগী হয় না। এ সময় স্তন শুধু বাড়তেই থাকে। গর্ভাবস্থায় স্তনের এই বৃদ্ধি একসময় থেমে যায়। তখন কোষগুলো পরিপূর্ণতা অর্জন করে। দুধ উৎপাদনেও সক্ষম হয়।
জোয়েল ব্রাইন্ড বলেন, যদি কোনো মেয়ে প্রথম গর্ভাবস্থায় গর্ভপাত ঘটায় তাহলে তার স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। কারণ, গর্ভপাত ঘটালেও তার স্তনে যে অপরিপক্ব টিস্যু অথবা কোষ তৈরি হয় সেগুলোর মৃত্যু ঘটে না। ওই সব কোষ স্তনে বসে বসে এর ক্ষতিসাধন করে। ফলে প্রথম গর্ভাবস্থায় যেসব মা গর্ভপাত ঘটান, তাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি যারা গর্ভপাত ঘটাননি তাদের তুলনায় শতকরা ৩০ ভাগ বেশি থাকে।
জোয়েল ব্রাইন্ড বলেন, যদি কোনো মেয়ে প্রথম গর্ভাবস্থায় গর্ভপাত ঘটায় তাহলে তার স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। কারণ, গর্ভপাত ঘটালেও তার স্তনে যে অপরিপক্ব টিস্যু অথবা কোষ তৈরি হয় সেগুলোর মৃত্যু ঘটে না। ওই সব কোষ স্তনে বসে বসে এর ক্ষতিসাধন করে। ফলে প্রথম গর্ভাবস্থায় যেসব মা গর্ভপাত ঘটান, তাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি যারা গর্ভপাত ঘটাননি তাদের তুলনায় শতকরা ৩০ ভাগ বেশি থাকে।

Post a Comment
Facebook Disqus