স্টাফ রিপোর্টার /বর্তমান বার্তা ডট কম / ০১ মার্চ ২০১৫ / দুটি চলচ্চিত্রে অতিথি চরিত্রে অভিনয় করা মৌটুসী বিশ্বাস আবারও নিয়মিত হয়ে উঠেছেন চলচ্চিত্রে।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ‘ব্যাচেলর’ এবং রাফায়েল আহসানে ‘নয় ছয়’ সিনেমাতে মৌটুসীকে সেভাবে পর্দায় উপস্থাপন করতে না পারলেও আলভি আহমেদের ‘ইউটার্ন’ সিনেমাতে মৌটুসীর দেখা মিলবে মুখ্য চরিত্রে।
সম্প্রতি বিএফডিসিতে ‘ইউটার্ন’ সিনেমার শুটিংয়ের ফাঁকে মৌটুসীর সঙ্গে কথা হয়েছিল গ্লিটজের।
মৌটুসী গ্লিটজকে জানালেন, সিনেমায় ধনাঢ্য আরিফ হায়দারের একমাত্র কন্যা তমার চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। এই সিনেমাতে তমার চরিত্রটি এক চলচ্চিত্র প্রযোজকের।
টিভিনাটকে ‘স্বচ্ছন্দ্য’ মৌটুসী নাকি সিনেমাতে অভিনয়ের ব্যাপারে তেমন ‘আগ্রহী’ ছিলেন না। তবে কেন আলভির ‘ইউটার্ন’-কে হ্যাঁ বলেছিলেন জানালেন সেই কথা।
“সত্যি বলতে সিনেমায় অভিনয়ের ব্যাপারে আমি তেমন আগ্রহী ছিলাম না। কারণ টেলিভিশনের কাজেই আমি স্বচ্ছন্দ্য। সিনেমাতে আবারও সেই সোনালী যুগ ফিরে আসছে। এখন আমি যদি একটু সুযোগ পাই ব্যাপারটি মন্দ নয়। আমার মনে হয়েছে ‘ইউটার্ন’ আমার জন্য পারফেক্ট সিনেমা। তাই আলভিকে হ্যাঁ বলেই দিলাম।”মৌটুসী জানালেন, এই সিনেমাতে বেশ কিছু অন্তরঙ্গ দৃশ্য ছিল, যা পরিচালক আলভি ‘খুব নান্দনিকভাবে’ উপস্থাপন করেছেন।
তিনি বলছেন, “আমার মনে হয়েছে গল্প ও চরিত্রের প্রয়োজনে দৃশ্যগুলোর প্রয়োজন ছিল। সাহসী দৃশ্যে অভিনয়ের বিষয়টি সম্পূর্ণ র্নিভর করছে আমি কোন পরিচালকের সঙ্গে কাজ করছি। নির্ভর করছে দৃশ্যে ক্যামেরার পজিশন এবং পর্দায় আমাকে কতটুকু এক্সপোজ করছে। মোদ্দা কথা হলো এ ব্যাপারগুলোতে আমি পরিচালকের উপর আমি কতটা ভরসা করছি।”
সিনেমাতে কেমন চরিত্রে অভিনয় করতে চান, এ প্রশ্নের জবাবে বললেন, “এই জটিল প্রশ্নের মুখোমুখি আমাকে নাটকের ক্ষেত্রেও হতে হয়। আমার কোনো স্বপ্নের চরিত্র নেই। আমি চাইবো এক চরিত্র আর জুটবে অন্যটি। আমি যখন যেই চরিত্রে অভিনয় করি তখন সেই সময়ের জন্য সে চরিত্রটি আমার স্বপ্নের চরিত্র বনে যায়।”
সিনেমায় অভিনয়ের ক্ষেত্রে মৌটুসী গুরুত্ব দিচ্ছেন গল্প ও চিত্রনাট্যকে।“যে ধরনের সিনেমাতেই কাজ করি না কেন, আমার কাছে সিনেমার গল্প ও চরিত্রই মুখ্য। সবকিছুর আগে ভালোভাবে গল্প পড়তে চাই। আমাকে ভাবতে হবে এই গল্পের যে চরিত্রটি আমাকে অফার করা হলো, তাতে আমি নিজেকে কতটা মানিয়ে নিতে পারবো।”
নাটকের অভিনয়শিল্পীরা সিনেমার দশর্কের কাছে তেমনভাবে গ্রহণযোগ্যতা পায় না - এই কথাও মেনে নিলেন মৌটুসী।
“এর অন্যতম কারণ হচ্ছে নাটক ও সিনেমায় একই মানুষগুলোকে একই ধরনের অভিনয় করতে দেখছে দর্শক। তবে এখানে সিনেমাটি মূলধারা নাকি অফট্র্যাক তা খুবই বিবেচ্য বিষয়। দুটি ধারাকে আমরা এক করে ফেলছি। যদি মূলধারারসিনেমা হয় সেক্ষেত্রে নাটকের শিল্পীকে যদি একেবারেই নতুনভাবে দশর্কের সামনে উপস্থাপন করা যায় তবে দর্শক নতুনত্বের স্বাদ পাবে।”
এরপর সুযোগ পেলে চলচ্চিত্রে নিয়মিত হবেন কি না এ প্রশ্নের জবাবে বলছেন, “এখনও জানি না নতুন কোনো সিনেমাতে আদৌ কাজ করবো কি না। এখন ‘ইউটার্ন’ নিয়েই ভাবছি। তবে চূড়ান্তভাবে কিছুই বলতে পারবো না।”
মৌটুসী এখন মাসুদ সেজানের ‘সার্কাস সার্কাস’, আলী একরাম ফিদা তেজোর ‘ফ্যামিলি প্যাক’, আফসানা মিমির ‘ ডলস হাউজ-২’, রেদওয়ান রনির ‘ঝালমুড়ি’ ধারাবাহিকগুলোতে অভিনয় করছেন।
মৌটুসীর ক্যারিয়ারের ‘উল্লেখযোগ্য’ নাটকগুলো ছিল মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর ‘আমি কি ভূলিতে পারি’, মাসুদ সিজানের ‘কাকতাড়ুয়া’, ওয়াহিদ তারেকের ‘লিটল অ্যাঞ্জেল অ্যাম ডায়ইং’, শহীদুজ্জামান সেলিমের ‘নিঝুম রাত্রি’।
সম্প্রতি বিএফডিসিতে ‘ইউটার্ন’ সিনেমার শুটিংয়ের ফাঁকে মৌটুসীর সঙ্গে কথা হয়েছিল গ্লিটজের।
মৌটুসী গ্লিটজকে জানালেন, সিনেমায় ধনাঢ্য আরিফ হায়দারের একমাত্র কন্যা তমার চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। এই সিনেমাতে তমার চরিত্রটি এক চলচ্চিত্র প্রযোজকের।
টিভিনাটকে ‘স্বচ্ছন্দ্য’ মৌটুসী নাকি সিনেমাতে অভিনয়ের ব্যাপারে তেমন ‘আগ্রহী’ ছিলেন না। তবে কেন আলভির ‘ইউটার্ন’-কে হ্যাঁ বলেছিলেন জানালেন সেই কথা।
তিনি বলছেন, “আমার মনে হয়েছে গল্প ও চরিত্রের প্রয়োজনে দৃশ্যগুলোর প্রয়োজন ছিল। সাহসী দৃশ্যে অভিনয়ের বিষয়টি সম্পূর্ণ র্নিভর করছে আমি কোন পরিচালকের সঙ্গে কাজ করছি। নির্ভর করছে দৃশ্যে ক্যামেরার পজিশন এবং পর্দায় আমাকে কতটুকু এক্সপোজ করছে। মোদ্দা কথা হলো এ ব্যাপারগুলোতে আমি পরিচালকের উপর আমি কতটা ভরসা করছি।”
সিনেমাতে কেমন চরিত্রে অভিনয় করতে চান, এ প্রশ্নের জবাবে বললেন, “এই জটিল প্রশ্নের মুখোমুখি আমাকে নাটকের ক্ষেত্রেও হতে হয়। আমার কোনো স্বপ্নের চরিত্র নেই। আমি চাইবো এক চরিত্র আর জুটবে অন্যটি। আমি যখন যেই চরিত্রে অভিনয় করি তখন সেই সময়ের জন্য সে চরিত্রটি আমার স্বপ্নের চরিত্র বনে যায়।”
নাটকের অভিনয়শিল্পীরা সিনেমার দশর্কের কাছে তেমনভাবে গ্রহণযোগ্যতা পায় না - এই কথাও মেনে নিলেন মৌটুসী।
“এর অন্যতম কারণ হচ্ছে নাটক ও সিনেমায় একই মানুষগুলোকে একই ধরনের অভিনয় করতে দেখছে দর্শক। তবে এখানে সিনেমাটি মূলধারা নাকি অফট্র্যাক তা খুবই বিবেচ্য বিষয়। দুটি ধারাকে আমরা এক করে ফেলছি। যদি মূলধারারসিনেমা হয় সেক্ষেত্রে নাটকের শিল্পীকে যদি একেবারেই নতুনভাবে দশর্কের সামনে উপস্থাপন করা যায় তবে দর্শক নতুনত্বের স্বাদ পাবে।”
মৌটুসী এখন মাসুদ সেজানের ‘সার্কাস সার্কাস’, আলী একরাম ফিদা তেজোর ‘ফ্যামিলি প্যাক’, আফসানা মিমির ‘ ডলস হাউজ-২’, রেদওয়ান রনির ‘ঝালমুড়ি’ ধারাবাহিকগুলোতে অভিনয় করছেন।
মৌটুসীর ক্যারিয়ারের ‘উল্লেখযোগ্য’ নাটকগুলো ছিল মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর ‘আমি কি ভূলিতে পারি’, মাসুদ সিজানের ‘কাকতাড়ুয়া’, ওয়াহিদ তারেকের ‘লিটল অ্যাঞ্জেল অ্যাম ডায়ইং’, শহীদুজ্জামান সেলিমের ‘নিঝুম রাত্রি’।
Post a Comment
Facebook Disqus