বর্তমান বার্তা ডট কম / ১৬ মে ২০১৫ / পায়ে হেটে দেশ ভ্রমন শুরু করেছেন এম জেড রহমান। চলতি বছরের ২০ এপ্রিল বাংলাদেশের পশ্চিম সীমান্ত তেতুলিয়া উপজেলার বাংলাবন্ধ জিরো পয়েন্ট থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করেন চব্বিশ বছর বয়সী এই দৃঢ় প্রত্যয়ি যুবক। ২৫ দিন পর দীর্ঘ এপথ পায়ে হেটে গত ১৪ মে বৃহস্পতিবার রাতে সোনারগাঁ এসে পৌছান।এক্সপ্লো বাংলাদেশ শ্লোগান বুকে ধারণ করে রহমান হাটবেন তেতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত। তার এই দীর্ঘ কয়েক শত কিলোমিটার হাটার উদ্দেশ্য হলো বিশ্বেও মাঝে বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরা। এর মাধ্যমে দেশ বিদেশের ভ্রমন পিয়াসুদের মধ্যে বাংলাদেশকে জানার আগ্রহ তৈরী করা। এ দেশে পর্যটনের মাধ্যমে ব্যবসা-বানিজ্যের প্রসার ঘটতে পারে পাশাপাশি এ খাত থেকে সরকারের প্রচুর রাজস্য অর্জন হবে। ভ্রমনকারী রহমান গত ১৫ মে আমার দেশকে জানান, দীর্ঘ এই ২৬ দিনে দেশের অনেক জেলা, উপজেলা দেখা হয়েছে। কেউ প্রশংসা করেছেন আবার কেউ তিরস্কারও করেছেন। প্রশংসা শুনে অনুপ্রেরণা পেয়েছি আর তিরস্কার শুনলে মন খারাপ হয়েছে। তারপরও সেখান থেকে শক্তি সঞ্চয় করেছি।
এম জেড রহমান নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলার হোসেন নগর গ্রামের মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে। তিনি বর্তমানে সরকারী তিতোমীর কলেজের অনার্সে হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। বাংলাদশে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ টোরিজম বোর্ডেও তত্ত্বাবধানে রহমানের পায়ে হেটে দেশ ভ্রমনের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে ঢাকা ক্লাব লিঃ। মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে ৭১ টেলিভিশন এবং হেল্থ কেয়ার সাপোর্ট দিচ্ছে জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল।
তিনি জানান, পর্যটনের মাধ্যমে বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচয়কে তুলে ধরতে পারলেই তার স্বার্থকতা। প্রতিদিনই তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকার পুরাকৃত্ত্বি, ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানের ছবি তুলে তার ব্যস্ত সময় পার হয়। হাটা শুরু করার পর প্রথমে তার অনেক সমস্যার মধ্যে পড়তে হতো বলে তিনি জানান। হাটতে হাটতে তার পায়ে অনেক ফোঁসকা পরায় অসুস্থও হয়ে পরেন। রহমান হাটতে হাটতে দেশের দক্ষিনাঞ্চল কক্সোবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার জিরোপয়েন্টে গিয়ে তার হাটা শেষ করবেন।
Post a Comment
Facebook Disqus