বর্তমান বার্তা ডট কম / ৩ জুলাই ২০১৫ / রমজান মাস ঘিরেই যেন খাবারের উত্সব লেগে যায় ভোজনরসিক বাঙালীদের ঘরে ঘরে। ইফতারের থালা উপচে পড়ে নানা রকম খাবারে। ইফতারের নানা পদে বিশেষভাবে প্রাধান্য পায় বিভিন্ন তেলে ভাজা খাবার। ফলাফল, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, বুক-পেট জ্বালাপোড়া, ব্যথা। অথচ মাত্র দুটি ছোট্ট কাজ করে পুরো রোজার মাস গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রাখতে পারবেন দূরে। তাও আবার প্রিয় খাবার খাওয়া বাদ না দিয়েই! কী সেই কাজ দুটি? জেনে নিন।
১. ইফতার শুরু করুন খেজুর দিয়ে। শুরুতেই অনেকখানি পানি বা শরবত পান করে ফেলবেন না। পানীয় জাতীয় জিনিস ধীরে ধীরে ইফতারের অন্য খাবারের ফাঁকে ফাঁকে খান। ইফতার করা শেষ হলে আধা ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা আদা চিবিয়ে খান। রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে খানিকটা লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে ভাজাভুজির খাওয়ার কারণে যে গ্যাসের সমস্যা হতো, তার সম্ভাবনা কেটে যাবে অনেকাংশে।
২. সেহেরিতে চেষ্টা করবেন কম তেল-মসলাযুক্ত খাবার খেতে। এতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কম হবে। সেহেরিতে যা-ই খান না কেন, প্রচুর পরিমাণে পানি পান করবেন। সেহেরি খাবার পর আধা কাপ পানিতে ১ টেবিল চামচ সাদা সিরকা মিশিয়ে পান করুন।
উপরের দুটি কাজ যদি পুরো রমজান অনুসরণ করতে পারেন, তাহলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আপনার কাছ থেকে থাকবে বহু বহু দূরে।
১. ইফতার শুরু করুন খেজুর দিয়ে। শুরুতেই অনেকখানি পানি বা শরবত পান করে ফেলবেন না। পানীয় জাতীয় জিনিস ধীরে ধীরে ইফতারের অন্য খাবারের ফাঁকে ফাঁকে খান। ইফতার করা শেষ হলে আধা ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা আদা চিবিয়ে খান। রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে খানিকটা লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে ভাজাভুজির খাওয়ার কারণে যে গ্যাসের সমস্যা হতো, তার সম্ভাবনা কেটে যাবে অনেকাংশে।
২. সেহেরিতে চেষ্টা করবেন কম তেল-মসলাযুক্ত খাবার খেতে। এতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কম হবে। সেহেরিতে যা-ই খান না কেন, প্রচুর পরিমাণে পানি পান করবেন। সেহেরি খাবার পর আধা কাপ পানিতে ১ টেবিল চামচ সাদা সিরকা মিশিয়ে পান করুন।
উপরের দুটি কাজ যদি পুরো রমজান অনুসরণ করতে পারেন, তাহলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আপনার কাছ থেকে থাকবে বহু বহু দূরে।

Post a Comment
Facebook Disqus