খুন, গুম আর অপহরণের কারণে দেশের ‘ডেঞ্জার জোন’ হয়ে উঠেছে রাজধানীর পাশের জেলা নারায়ণগঞ্জ। আর এই ডেঞ্জার জোনের ‘ডেঞ্জারম্যান‘ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন সিটি কর্পোরেশনের ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেন। সামান্য বাসের হেলপার থেকে অনেকটা সিনেমার গল্পের মত করেই পরিণত হয়েছেন খলনায়কে। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, হত্যা, খুন, গুমে পুরো নারায়নগঞ্জ জুড়ে এখন একটিই আলোচিত নাম সেটি হলো নূর হোসেন। সর্বশেষ আলোচিত ৪ নম্বর ওয়ার্ড কমিশনার নজরুল ইসলামসহ ৭ জনের অপহরণ ও হত্যার ঘটনাতেও এই নূর হোসেন ১ নম্বর আসামি। জনরোষের ভয়ে বর্তমানে পলাতক রয়েছেন এই ডেঞ্জারম্যান। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, ক্ষমতাধর এক রাজনৈতিক নেতার ছত্রছায়ায় বেড়ে উঠা নূর হোসেন পুরো নারায়ণগঞ্জ জুড়েই অসীম ক্ষমতাধর ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ম্যানেজ করে গড়ে তুলেছেন তার নিজস্ব প্রাইভেট বাহিনী। আর এই বাহিনী-ই দাপিয়ে বেড়াতো পুরো নারায়ণগঞ্জ। সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, বিরোধী দলীয় নেতা এমনকি সরকারি দলের অনেক নেতাকর্মীও তার হাত থেকে রেহাই পায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পেত না। আর এতে করে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন নূর হোসেন। এতদিন ভয়ে মুখ খুলতে না পারলেও তার অত্যাচার ও নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে বৃহস্পতিবার তার অফিস পুড়িয়ে দেয় স্থানীয় জনগণ। অভিযোগ রয়েছে এই অফিসেই লোকজনকে ধরে এনে নির্যাতন করে টাকা আদায় করা হতো। কে এই নূর : অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৮৫ অথবা ১৯৮৬ সালে সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকায় ইকবাল গ্রুপের ট্রাকের হেলপার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন নূর হোসেন। পরবর্তীতে ড্রাইভারি শিখে একই গ্রুপে চাকরি করেছেন। ১৯৮৮ সালের দিকে শিমরাইলে আন্তঃজেলা ট্রাক চালক শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যক্রম চালু করেন দাইমুদ্দিন নামক এক ট্রাক ড্রাইভার। তার হাত ধরেই নূর হোসেন হেলপার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন ইকবাল গ্রুপে। ১৯৮৯ সালের দিকে দাইমুদ্দিনকে বের করে দিয়ে শ্রমিক ইউনিয়নের দখল নেয় নূর হোসেন। যোগ দেয় জাতীয় পার্টিতে। কিন্তু ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে হয়ে যায় বিএনপির নেতা। গঠন করে সন্ত্রাসী বাহিনী। ১৯৯২ সালের সিদ্ধিরগঞ্জ ইউপির চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হন নূর হোসেনসহ ১৩ জন। শক্তিশালী প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান সহিদুল ইসলামকে পরাজিত করতে মাঠে নামেন সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন। দলবল নিয়ে পক্ষ নেন নূর হোসেনের। দুই-আড়াইশ ভোটের ব্যবধানে নূর হোসেন জয়ী হয়। প্রভাব বিস্তার করে পুরো সিদ্ধিরগঞ্জে। ’৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি প্রার্থী হিসেবে পরবর্তী ইউপি নির্বাচনেও চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হন নূর হোসেন। আওয়ামী লীগ থেকে শামীম ওসমান প্রার্থী দেয় নজরুলকে। এবার খোদ শামীম ওসমানের প্রতিপক্ষ গিয়াসউদ্দিন জোরেসোরে মাঠে নামেন নূর হোসেনের পক্ষে। কিন্তু নূর হোসেন জয়ী হয়ে হাত মেলায় শামীম ওসমানের সঙ্গে। হয়ে যায় আওয়ামী লীগার। শুরু হয় নূর হোসেন চেয়ারম্যানের গডফাদার হিসেবে আবির্ভাব। তৎকালীন সময়ে শামীম ওসমানের ‘সেনাপতি’ শীর্ষ সন্ত্রাসী মাকসুদ ও সারোয়ারকে নিয়ে গঠন করে কুখ্যাত সন্ত্রাসী বাহিনী। অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৯১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন নূর হোসেন। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ায় তার পরিচয় হয় হোসেন চেয়ারম্যান হিসেবে। ইউপি চেয়ারম্যান থাকাকালে এলাকার স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি, রাস্তায় ইট বিছানোর নামে পরিষদের তহবিল তসরুপ, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পাঠানো অর্থ ও ত্রাণসামগ্রী আত্মসাতসহ নানা অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ জন্য অন্তত অর্ধশতবার তদন্ত হয়। তদন্তে অভিযোগও প্রমাণিত হয়। তাতে অবশ্য কিছুই হয়নি নূর হোসেনের। সে সময় ইউপি চেয়ারম্যান থেকে তার অপসারণ চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সুপারিশও করে তদন্ত টিম। অবশ্য ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনের পরই গা-ঢাকা দেয় হোসেন চেয়ারম্যান। দীর্ঘ চার বছর অনুপস্থিত থাকায় ২০০৫ সালে তাকে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করা হয়। ২০০৯ সালের ৮ জুন প্রধানমন্ত্রীর সংস্থাপন ও প্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের স্বাক্ষরিত ‘অতি জরুরি’লেখা একটি চিঠি দেয়া হয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে। আর চিঠির অনুলিপি বিতরণ করা হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে। এই চিঠিতে হোসেন চেয়ারম্যানকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের এক ত্যাগী নেতা হিসেবে অভিহিত করে বলা হয়, সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে তাকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণ করে। সে যেন আইনের আশ্রয় নিতে না পারে সে জন্য তাকে ক্রসফায়ারে দেয়ার চেষ্টাও করা হয়। এই চিঠির পরই পরিস্থিতি পাল্টে যায়। নারায়ণগঞ্জ পুলিশের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে ফেলা হয় হোসেন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। কিন্তু স্থানীয় সংসদ সদস্য কায়সার হাসনাতের জোর আপত্তিতে এবং দলীয় নেতাকর্মীদের বাধায় শেষ পর্যন্ত তাকে পৌর প্রশাসক পদে নিয়োগ দেয়া হয়নি। সন্ত্রাসী বাহিনী হোসেন চেয়ারম্যানের দুই ভাতিজা বাদল ও সোহেল ব্যবসায়ী হাবিব হত্যার মামলার ফাঁসির আসামি। সোহেল দীর্ঘ পাঁচ বছর পর উচ্চ আদালত থেকে জামিনে বের হয়েছে সম্প্রতি। অপর ভাতিজা বাদল হোসেন এবং চেয়ারম্যানের দুই সহোদর নুরুজ্জামান জজ ও নুরউদ্দীন একই মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। উচ্চ আদালত থেকে তারাও বর্তমানে জামিনে। আরেক সহোদর বাদলের বাবা নুর সালাম। এলাকার সরকারি জমি, ডিএনডি বাঁধের ও সওজের জমি দখল করে বিক্রি করা তার পুরনো পেশা। এলাকায় পরিচিত বোবা ডাকাত নামে। চাচাতো ভাই নাছির ওরফে কালা নাছির পাইকারি মাদকের আড়তদার। এরা প্রত্যেকে নিয়ন্ত্রণ করছে পৃথক পৃথক সন্ত্রাসী বাহিনী। গ্রুপভিত্তিক তাদের কাজ ভাগ করে দেয়া হয়েছে। চেয়ারম্যানের পক্ষে প্রত্যেক গ্রুপের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে তার দুই ‘ক্যাশিয়ার’ আলী মাহমুদ ও সানাউল্লাহ। ভাতিজা বাদল ও সোহেল দেখাশোনা করেছে তার অবৈধ অস্ত্রের ভাণ্ডার। যোগাযোগ রাখছে জেলা ও আশপাশে এলাকার সন্ত্রাসীদের সঙ্গে। নুরুজ্জামান জজ এলাকায় পরিচিত ছোট মিয়া নামে। তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কাঁচপুরের ওয়াপদা কলোনি থেকে শুকরসী পর্যন্ত শীতলক্ষ্যা নদীর তীর দখল করে গড়ে তোলা পাথর ও বালির ব্যবসা। এ ছাড়া শীতলক্ষ্যা নদীতে ট্রলারে চাঁদাবাজির গ্রুপটি তার নিয়ন্ত্রণেই। জোট আমলে এমপি গিয়াসউদ্দিনের নিয়ন্ত্রণে ছিল এই চক্র। বর্তমানে হাতবদল হয়ে জজের নিয়ন্ত্রণে। ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা অগ্রিম এবং মাসিক ২৫ হাজার টাকা ভাড়ায় ৪০ থেকে ৫০টি বালির গদি ভাড়া দিয়েছে জজ চক্র। নিজের দখলে রেখেছে আরো ছয়টি গদি। জানা যায়, এখান থেকে মাসে ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকা আয় করছে জজ সিন্ডিকেট। এ ছাড়া শীতলক্ষ্যা নদীতে ট্রলার চললে জজ বাহিনীকে চাঁদা দিতে হয় বাধ্যতামূলক। চাঁদা না দিলে ট্রলার ছিনতাই ও শ্রমিকদের মারধর করা হয়। চাঁদাবাজির নেতৃত্ব ধরে রাখতে একটি পৃথক সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করেছে সে। নূর হোসেনের গ্রুপের শতাধিক সন্ত্রাসীর মধ্যে শীর্ষ তালিকায় রয়েছে নাছির ওরফে কালা নাছির। সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত মামলা হয়েছে অর্ধশত। মাদকদ্রব্য আইনে তার বিরুদ্ধে আরো ৭টি মামলা আছে। পরিবহনে চাঁদাবাজি : সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের ১৮টি জেলার প্রায় ৬৫টি রুটের যানবাহনকে পুঁজি করে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড়ে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী পরিবহন চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র সড়কপথের এই পয়েন্টে টাকা না দিলে গাড়ির চাকা ঘোরে না, টাকা দিলে চাকা ঘোরে। পেশাদার চাঁদাবাজদের নিয়ে নূর হোসেনের ভাতিজা বাদল গঠন করেছে একটি সিন্ডিকেট। এ সিন্ডিকেটে রয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জের যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে পাডা মিন্টু। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের (বি-৪৯৪) শিমরাইল পূর্বাঞ্চলীয় কমিটির রশিদে এ চাঁদাবাজি হয়। যাত্রী ওঠানামা করলেই বাস ও মিনিবাসকে ৫০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিতে হয়। সওজ অফিস থেকে তাজমহল রেস্টুরেন্ট পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশে প্রায় শতাধিক বাস কাউন্টার থেকে দৈনিক ৩শ’ টাকা চাঁদা আদায় করছে ক্যাডার বাহিনী। এ ছাড়া বেবিট্যাক্সি, সিএনজি, টেম্পো স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন সব মিলিয়ে বিভিন্ন রুটে পাঁচ শতাধিক গাড়ি চলছে। প্রতিটি গাড়িকে গড়ে ৫০ টাকা করে চাঁদা দিতে হচ্ছে। প্রতি মাসে পরিবহন থেকে হচ্ছে অন্তত ৪০ লাখ টাকার চাঁদাবাজি। ফুটপাত থেকেও কোটি টাকার চাঁদাবাজি সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল ও এর আশপাশ এলাকার ফুটপাতের চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করে নূর হোসেন নিজেই। শিমরাইল ছিন্নমূল হকার্স সমিতির নামে সভাপতি সেলিম রেজা এ চাঁদা আদায় করছে। সেলিম রেজা হোসেন বাহিনীর অন্যতম ক্যাডার। তাছাড়া সওজ থেকে পোল্ডার সড়ক (টার্নিং মোড় পর্যন্ত) ন্যূনতম ৫শ’ ফুটপাতের দোকান থেকে চাঁদা তুলছে তার দুই ক্যাশিয়ার আলী মাহমুদ ও সানাউল্লাহ। সর্বশেষ সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিনের মালিকানাধীন কাসসাফ মার্কেটের ফুটপাত দখল করে নেয় সে। এই মার্কেটের সামনে ৮০টি ফুট দোকান ভাড়া দেয়া হয়েছে। মাসে ৮০ হাজার টাকা ভাড়া কালেকশন করছে আলী মাহমুদ ও সানাউল্লাহ। দবির উদ্দিন শপিং মার্কেটের সামনের ফুটপাথসহ আশপাশের অধিকাংশ ফুটপাতই চলছে নূর হোসেনের তত্ত্বাবধানে। কাঁচপুর সেতুর নিচে বালুর ব্যবসাও নিয়ন্ত্রণ করে নূর হোসেন। এর আগে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ নূর হোসেনের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করেছিলো। নূর হোসেন ওরফে হোসেন চেয়ারম্যান ইন্টারপোলের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ছিল। ২০০৭ সালের ১২ মার্চ আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে লাল নোটিস জারি করে। অবশ্য এর অনেক আগেই (২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পরই) হোসেন চেয়ারম্যান ভারতে পালিয়ে যায়। ২৩ মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে দীর্ঘ সাত বছর হোসেন চেয়ারম্যান ভারতেই ফেরারি জীবন কাটায়। একটি মামলার রায়ে তার অনুপস্থিতিতে সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ডও হয়েছিল। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের শাসন ক্ষমতায় আসলে হোসেন চেয়ারম্যানের ফেরারি জীবনের ইতি ঘটে। ২০০৯ সালের ২০ জুন হোসেন চেয়ারম্যান ফেরেন নিজ এলাকা নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে। ২০১১ সালে তার বিরুদ্ধে থাকা ইন্টারপোলের রেড ওয়ারেন্ট প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। বর্তমানে ডেঞ্জারম্যানকে খুঁজে বেড়াচ্ছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বর্তমানে সে পলাতক রয়েছে। নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ অপহরণ হত্যাসহ সমসাময়িক ঘটনাগুলোর জন্য অভিযোগ করা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে। এখন প্রশ্ন একটাই, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কি পারবে তাকে ধরে বিচারের সম্মুখীন করতে?


Post a Comment

Disqus