জহিরুল ইসলাম সিরাজ / বর্মান বার্তা / ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ঃ ঢাকার মিরপুরের যুবক জি এম মোঃ নাহিদ হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে পল্লবী থানার দুই পুলিশ সদস্যের গ্রেফতার ও ফাসিঁর দাবিতে গতকাল শুক্রবার নাহিদের গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মামরকপুর গ্রামে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধ করেছে এলাকাবাসীরা।
উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের আনন্দবাজার এলাকার মামরকপুর গ্রামের সড়কে গতকাল শুক্রবার দুপুর ২টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে দলমত নির্বিশেষে এলাকার কয়েশ নারী পুরুষ অংশ নেন।
মানববন্ধন চলাকালীন জি এম মোঃ নাহিদের বড় বোন শিলা আক্তার অভিযোগ করে বলেন ঢাকার পল্লবী থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) তৌহিদুল আরেফিন ও সহকারী উপ পরিদর্শক (এএসআই) সুব্রত দাস, পুলিশের সোর্স তারেকের মাধ্যমে সাদা পোশাকে গত ৩ ফেব্র“য়ারী তার ভাইকে ধরে নিয়ে পাঁচ লাখ টাকা উৎকোচ দাবি করে। তাদের দাবিকৃত টাকা না পেয়ে পুলিশের এ দুই সদস্য তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করেন। হত্যাকান্ডের পাচঁ দিন পর তার ভাইয়ের লাশ মর্গে পড়ে থাকার পর পরিবারের সদস্যরা নাহিদের লাশ সনাক্ত করেন।
বিএনপির সাবেক মহাসচিব (প্রয়াত) খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ভাগিনা জি এম মোঃ নাহিদের বাবা সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত নায়েক সুবেদার। তাদের গ্রামের বাড়ি উপজেলার মামরকপুর গ্রামে। তারা দীর্ঘ দিন ধরে মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের বাসিন্দা ছিলেন।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল স্থানীয় বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন, নিহত জি এম মোঃ নাহিদের বাবা গাজী সাইদ, বড় বোন শিলা আক্তার, গ্রামবাসী গাজী তাওলাদ, সেলিম মিয়া, মোঃ রায়হান প্রমূখ।
বক্তরা আরো বলেন, পল্লবী থানার দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করে তাদের ফাসিঁ দিতে হবে। তা না হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ সহ বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষনা করা হবে।
শিলা আক্তার আরো বলেন, গত বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্য ও পুলিশের সোর্স তারেককে অভিযুক্ত করে আমি বাদি হয়ে ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি হত্যা মামলার নথিভুক্ত করার জন্য আবেদন করেছি।
এ ব্যাপারে শিলা আক্তারের আইনজীবি আলতাফ হোসেন মোল্লা জানান, মামলাটির ব্যাপারে আগামী সোমবার আদালত আদেশ দেবেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পল্লবী থানার এসআই তৌহিদুল আরেফিন জানান, আমরা এ হত্যা কান্ডের সঙ্গে জড়িত নই।

Post a Comment
Facebook Disqus