মোঃ রোমা ন/ বর্তমান বার্তা/ সাহিত্য/ ১৮ ফেব্রুয়ারী/ আমি একজন ছাত্র। সেই ছোটবেলা থেকে আমি মায়ের মুখ থেকে শুনতাম মা বলতো, খোকা পড়ালেখা করে বড় হও। তখন আমি মনে মনে ভাবতাম, যে বড়তো হচ্ছি কিন্ত পড়া লেখার দরকার কি?কিন্ত পড়ালেখার মান পরে যখন আমি স্কুলে পড়ি তখন বুঝলাম পড়ালেখার মান। আমি তখন (৫ম)শ্রেণীতে পড়তাম। তারপর আমি হাই স্কুলে উঠালাম। তখন আমার স্কুল অনেক দূর ছিল।তাই আমি একাই হেটে স্কুলে যেতাম।আর যখন পরিকখা দিতাম দেখতাম সবার বাবা-মা তার ছেলে-মেয়েকে দিয়ে যেত। তখন আমার বাবার কথা আমার খুব মনে আসত। আর যখন আমি আমার মাকে আমি বাবার কথা জিজ্ঞেস করতাম তখন মা বলতো, তোমার বাবা বিদেশে।কিন্ত মা আসলে সত্যি কথা বলে নি। তা আমি একটু একটু বুঝতে পারি।কারন,আমি যতবার বাবার কথা জিজ্ঞেস করতাম। ততবার মায়ের মুখে কান্নার ভাব দেখতাম। তাই অনেক আগেই আমি এই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা বন্ধ করে দিয়েছি। তারপর ওই জায়গা থেকে বাড়ি ওয়ালা আমাদের তাড়িয়ে দিল। তখন আমার মাও আমার স্কুলের টাকা দিতে পারলনা। তাই আমার স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেল। তখন মায়ের সাথে আমি অন্য জায়গায় চলে গেলাম। সেখানে মায়ের অসুস'তার কারনে আমি কাজ করতাম। যে টাকা পেতাম তা দিয়ে মায়ের ওষুধ আনতাম আর একবেলা খেতাম বাকি বেলা না খেয়ে থাকতাম। মার এই অসুখের কারনে মাকে চলে যেতে হল আমাকে ছারা। বাবা-মা নেই আমিও হয়ে গেলাম একা। তারপর আমি কাজ করে যে টাকা পেতাম একবেলা খেতাম আর বাকি টাকা জমাতাম স্কুলের ফিয়ের জন্য। এই ভাবে পড়তে পড়তে আমি বড় অফিসার হলাম। সবাই আমাকে স্যার বলে ঢাকে।তখন আমার খুব ভালো লাগে।আমার মনে হয় আমি আমার মার আশা পূর্ণ করেছি। এই আমার ছোটবেলার গল্প।ছোট বন্ধরা তোমরা পড়া লেখা কর, গল্পে না সত্যিকারের কিছু হয়ে দেখাও আমার গল্প তোমাদের ভালো লাগলে , ফোন কর এই নম্বরে নাম: রোমান সোনারগাঁ ৯ম,ছাত্র বয়স- ১৫ মোবাইল:০১৮৫-৩২৩০৭১৩ |
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

Post a Comment
Facebook Disqus