
ফারুক হাসান /বর্তমান বার্তা/ ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ঃ নারয়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যরবাজার ইউনিয়নের মামরক পুর গ্রামের গাজী মোঃ সাঈদের ছেলে মোঃ নাহিদকে সোনারগাঁয়ের নিজ বাড়ি থেকে মুঠোফোনে রাজধানী মিরপুরপল্লবী এলাকায় ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহতের পিতা জানান গত ৩ ফেব্রুয়ারি আমার ছেলে নাহিদকে ঢাকা মিরপুর পল্লবী থানার সোর্স তারেক মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে পল্লবী থানায় কর্মরত এস আই তহিদুল আরেফিন ও এ এস আই সুব্রতের হাতে তুলে দিলে তারা আমার ছেলেকে থানায় সোপর্দ না করে ঢাকা মেট্টো-চ-১৩-৪৭৬৮ নম্বর সংবলিত গাড়িতে উঠিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে সন্ধা ৬ টায় আমার মেয়ে শিলা আক্তারকে ফোন দিয়ে বলে ১০লাখ টাকা নিয়ে তোমার বাবাকে সহ আমাদের সাথে দেখা কর তোমার ভাই নাহিদ আমাদের হেফাজতে আছে। পরে আমি ৬ নং প্রশিকা ভবনের সামনে তাদের সাথে দেখা করলে ছেলেকে ছারিয়ে নিতে ৫ লাখ টাকা চুরান্ত ভাবে বেধে দেয় । টাকা দিলে ছেলে পাবে নতুবা নয়। আমি পঞ্চাশ হাজর টাকা দিতে চাইলে তারা তা মেনে নেয়নি। তাদের অনেক টালবাহানার পরে আমরা পল্লবী থানায় যোগাযোগ করলে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে খোজ নেয়ার কথা বলেন। অবশেষে ৮ ফেব্রুয়ারি মর্গে আমার ছেলের লাশ খুজে পাই। তার অভিযোগ তাদের দাবীকৃত টাকা সঠিক সময়ে দিতে ব্যর্থ হওয়াতে টাকার জন্য আমার ছেলে কে খুন করা হয়। গতকাল সোমবার নিহতের লাশ গ্রামের বাড়ি মামরক পুর কবরস্থানে দাফন করা হয় । সুত্রে জানা গেছে সে দির্ঘদিন ঢাকার মিরপুর এলাকায় বসবাস করাকালিন বিভিন্ন অপরাধে সাথে জরিত থাকার অভিযোগ ছিল এবং মিরপুর পল্লবী থানায় মামলা ছিল। গত এক বছর যাবত সোনারগাঁয়ে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিল । এ ব্যপারে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে । পবিার ও এলকাবাসীর প্রশ্ন এভাবে আইনের লোকের হাতে সাধারণ মানুষের হত্যা কতকাল চলবে । আইনের শাসনে বেআইনি হত্যা জনগন মেনে নেবে না। অপরাধী হলে প্রচলিত আইনে বিচার হবে হত্যা কেন সচেতন মহলের এটাই প্রশ্ন । সোনারগাঁ থেকে নিখোজ অতপর লাশ হয়ে ঘড়ে ফেরার ব্যাপারে সোনরগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল ইসলাম বলেন এ ব্যপারে আমার জানা নেই কেউ কোন অভিযোগও করে নি।
Post a Comment
Facebook Disqus