ফজলে রাব্বী সোহেল / বর্তমান বার্তা / ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৫ : সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর সুখেরটেক গ্রামের ব্যবসায়ী রুহুল জামিলের হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে গতকাল শুক্রবার সকালে মানববন্ধন কমসূচী ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। উপজেলার ললাটি সুখেরটেক এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচীতে এলাকার শত শত মানুষ অংশগ্রহন করে।
মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন কাঁচপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক, মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক, স্থানীয় সমাজসেবক শাহজালাল মুন্সি, কাঁচপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য গোলাম কিবরিয়া, ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য আবুল হোসেন, ডাঃ আমজাদ হোসেন, নিহতের চাচা আবু সাঈদ, নজরুল ইসলাম, স্কুল শিক্ষক ইসমাঈল হোসেন, সোহরাবউদ্দিন, নিহতের মা রওশন বানু, স্ত্রী সালমা আক্তার নিঝুম, মোখলেছুর রহমান, দীন ইসলাম, মঞ্জুরুল ইসলাম প্রমুুখ।
মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তারা বলেন, রুহুল জামিলকে সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে রুহুল জামিলের প্রকৃত খুনীদের গ্রেফতার না করা হলে মহাসড়ক অবরোধ করাসহ আরও কঠোর কর্মসূচী ঘোষনা দেওয়া হবে।
নিহতের মা রওশন বানু ও স্ত্রী সালমা আক্তার নিঝুম বলেন, ব্যবসার লেনদেনকে কেন্দ্র করে ও রুহুল জামিলের বড় ভাই নিহত এডভোকেট রুহুল আমিনের সাথে পূর্ব শত্র“তার জের ধরে এলাকার দূটি সন্ত্রাসী বাহিনীর সাথে রুহুল জামিলের দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জের ধরেই রুহুল জামিলকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে।
মানববন্ধন কর্মসূচীতে কাঁচপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক তার বক্তব্যে বলেন, রুহুল জামিলের প্রকৃত খুনীদের যারা পুলিশের কাছে ধরিয়ে দিতে পারবে তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।
উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের সুখেরটেক নয়াপাড়া গ্রামের মৃত মাওলানা আব্দুল মালেকের ছেলে জমি ব্যবসায়ী রুহুল জামিল ২৫ জানুয়ারী রাতে সদ্য ভূমিষ্ট শিশু সন্তানকে দেখতে কাঁচপুর শ্বশুরবাড়ীতে যাওয়ার পথে দূর্বৃত্তরা খুন করে তার লাশ ললাটি বটতলা এলাকায় ফেলে পালিয়ে যায়। পরের দিন সকালে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা রওশন বানু বাদী হয়ে ওই এলাকায় ৬ জনের নাম উলে¬খ্য করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ ললাটি গ্রামের বদরুদ্দিনের ছেলে লালন মিয়া, মৃত আহম্মেদ আলীর ছেলে আলমাসকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করে।



Post a Comment

Disqus