![]() |
বর্তমান বার্তা ডট কম / ১৭ মার্চ ২০১৫ /
পাকিস্তানের লাহোর শহরে দুটি গির্জার সামনে জোড়া বোমা বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত হয়েছেন। রোববারের প্রার্থনার সময় ঘটা এসব বিস্ফোরণে আরো ৫৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা।
এক নিরাপত্তারক্ষীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে অনেক মানুষের জীবন রক্ষা পেয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
পাকিস্তান তালেবানের দলছুট গোষ্ঠি জামাত-উল-আহরার বোমা হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। লাহোরের খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকায় একটি ক্যাথলিক ও একটি প্রটেষ্টান্ট গির্জার সামনে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে বিস্ফোরণ দুটি ঘটানো হয়। গির্জা দুটি খুব কাছাকাছি অবস্থিত। গির্জাগুলো লক্ষ্য করেই বোমা দুটির বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। বিস্ফোরণের পর দুজন সন্দেহভাজনকে গণপিটুনিতে হত্যা করেছে এলাকাটির উত্তেজিত বাসিন্দারা।
প্রত্যক্ষদর্শী আমির মাসিহ বলেছেন, “আমি গির্জার কাছে একটি দোকানে বসে ছিলাম। তখনই বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে উঠে।” “আমি ঘটনাস্থলের কাছে এগিয়ে গিয়ে দেখি, গির্জায় প্রবেশের চেষ্টারত এক ব্যক্তির সঙ্গে ধস্তাধ্বস্তি করছে ওই নিরাপত্তারক্ষী, তারা পড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওই ব্যক্তি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।” “আমি দেখলাম, ওর শরীরের অংশগুলো বাতাসে উড়ছে,” বলেন আমির।
এই বিস্ফোরণে ওই নিরাপত্তারক্ষীও নিহত হন। প্রথম বোমাটির বিস্ফোরণও আত্মঘাতী ছিল কি না তা নিশ্চিত করতে পারেননি আমির। পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা খাজা রফিক জানিয়েছেন, অন্তত ১০ জন নিহত ও ৫৫ জন আহত হয়েছেন।
এক নিরাপত্তারক্ষীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে অনেক মানুষের জীবন রক্ষা পেয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
পাকিস্তান তালেবানের দলছুট গোষ্ঠি জামাত-উল-আহরার বোমা হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। লাহোরের খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকায় একটি ক্যাথলিক ও একটি প্রটেষ্টান্ট গির্জার সামনে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে বিস্ফোরণ দুটি ঘটানো হয়। গির্জা দুটি খুব কাছাকাছি অবস্থিত। গির্জাগুলো লক্ষ্য করেই বোমা দুটির বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। বিস্ফোরণের পর দুজন সন্দেহভাজনকে গণপিটুনিতে হত্যা করেছে এলাকাটির উত্তেজিত বাসিন্দারা।
প্রত্যক্ষদর্শী আমির মাসিহ বলেছেন, “আমি গির্জার কাছে একটি দোকানে বসে ছিলাম। তখনই বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে উঠে।” “আমি ঘটনাস্থলের কাছে এগিয়ে গিয়ে দেখি, গির্জায় প্রবেশের চেষ্টারত এক ব্যক্তির সঙ্গে ধস্তাধ্বস্তি করছে ওই নিরাপত্তারক্ষী, তারা পড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওই ব্যক্তি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।” “আমি দেখলাম, ওর শরীরের অংশগুলো বাতাসে উড়ছে,” বলেন আমির।
এই বিস্ফোরণে ওই নিরাপত্তারক্ষীও নিহত হন। প্রথম বোমাটির বিস্ফোরণও আত্মঘাতী ছিল কি না তা নিশ্চিত করতে পারেননি আমির। পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা খাজা রফিক জানিয়েছেন, অন্তত ১০ জন নিহত ও ৫৫ জন আহত হয়েছেন।

Post a Comment
Facebook Disqus