বাদল /বর্তমান বার্তা ডট কম / ৪ মার্চ২০১৫/লাগাতার অবরোধের মধ্যে দেশব্যাপী ২০ দলীয় জোটের ডাকা বর্ধিত ৪৮ ঘন্টার হরতাল চলছে। রোববার ভোর ৬টা থেকে শুরু হয়ে বুধবার ভোর ৬টায় ৭২ ঘন্টার হরতাল শেষ হওয়ার আগেই মঙ্গলবার আরো ৪৮ ঘন্টার হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি জোট। বর্ধিত এ হরতাল শেষ হবে শুক্রবার ভোর ৬টায়।
জোটের পক্ষে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে আগামী শুক্রবার ভোর ৬টা পর্যন্ত হরতালের সময়সীমা বাড়ানোর ঘোষণা দেন।
গত চার সপ্তাহ ধরে প্রতিটি কর্মদিবসে হরতাল পালন করছে বিএনপি জোট।
এছাড়া বৃহস্পতিবার সারা দেশে জেলা, উপজেলা, থানা, পৌরসভা ও সব মহানগরের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বিক্ষোভ মিছিলেরও ঘোষণা দেয়া হয়।
হরতাল-অবরোধকে ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন রয়েছে র্যাব, পুলিশ ও বিজিবি। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের যৌথ টহল টিম নামানো হয়েছে। দেশের অন্যান্য নগর মহানগর ও গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। হরতাল-অবরোধের সমর্থনে মিছিল-পিকেটিং ঠেকাতে সর্বত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক তৎপরতা চোখে পড়ার মতো।
এছাড়া অবরোধ-হরতালে যে কোন সহিংসতা মোকাবেলায় পুলিশ-র্যাবের পাশাপাশি সারা দেশে ২৮৭ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার সকালে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় হরতালের সমর্থনে বিক্ষিপ্ত মিছিল-পিকেটিং, অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে তেমন কোন সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
সকালে হরতালে রাজধানীতে সীমিত সংখ্যক গণপরিবহন চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে প্রশাসনের সাথে বৈঠকে ঢাকা পরিবহণ মালিক সমিতির গাড়ি চালানোর আগের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বেলা বাড়ার সাথে সাথে যানবাহন চলাচল বাড়লেও পরিবহনগুলোতে যাত্রী সংখ্যা কম দেখা যায়। এছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলও ছিল কম।
ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক। তবে গাবতলি, সায়েদাবাদ ও মহাখালী থেকে দূরপাল্লার হাতে গোনা কিছু বাস ছেড়ে যেতে দেখা গেছে।
এদিকে দেশের বিভিন্ন নগর-মহানগরসহ জেলায়ও চলছে শান্তিপূর্ণ হরতাল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক প্রহরার মধ্যেও হরতাল-অবরোধের সমর্থনে বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত মিছিল-পিকেটিং করছে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীরা। বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ, রাস্তায় ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। ঘটেছে ককটেল বিস্ফোরণ। জেলা সদর, নগর-মহানগরগুলোর আন্তঃমহাসড়কগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রহরায় কিছু হালকা যানবাহন চলাচল করার খবর পাওয়া গেছে।
হরতালের কারণে পূর্ব নির্ধারিত আজকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া রাজধানীসহ সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই কম দেখা যায়।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে জানানো হয়, অবিলম্বে নির্দলীয় সরকারের অধীনে সবার অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদেরকে গণগ্রেফতার, এখন পর্যন্ত গণদাবির প্রতি তাচ্ছিল্য প্রদর্শন করাসহ বেশ কিছু দাবিতে চলমান অবরোধের পাশাপাশি হরতাল কর্মসূচি বাড়ানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আজ দেশের সব গণতন্ত্রকামী দেশপ্রেমিক জনতা ঐক্যবদ্ধ। সংবিধান স্বীকৃত সব মৌলিক ও মানবাধিকার রক্ষা, ভোটের অধিকার, প্রকৃত জনপ্রতিনিধিত্বশীল সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই চলমান শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। বিনা ভোটের অবৈধ লুটেরা সরকারকে হটানোর কোনো বিকল্প আজ জনগণের সামনে খোলা নেই।
তিনি বলেন, পুলিশি নির্যাতন ও নিয়ন্ত্রিত বিচার ব্যবস্থার কল্যাণে দমন-পীড়নই এখন পতনোন্মুখ সরকারের একমাত্র অবলম্বন। কিছু দলকানা গণমাধ্যমের অপপ্রচার ও ১৪ দলীয় আওয়ামী গলাবাজি শেষ বিচারে ক্ষমতায় টিকে থাকার নিঃস্ফল ব্যাকুলতায় পর্যবসিত হবে শিগগিরই।
চলমান কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে জোটের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ দেশবাসীকে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে
দেশব্যাপী চলছে ২০ দলীয় জোটের ডাকা বর্ধিত ৪৮ ঘন্টার হরতাল
জোটের পক্ষে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে আগামী শুক্রবার ভোর ৬টা পর্যন্ত হরতালের সময়সীমা বাড়ানোর ঘোষণা দেন।
গত চার সপ্তাহ ধরে প্রতিটি কর্মদিবসে হরতাল পালন করছে বিএনপি জোট।
এছাড়া বৃহস্পতিবার সারা দেশে জেলা, উপজেলা, থানা, পৌরসভা ও সব মহানগরের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বিক্ষোভ মিছিলেরও ঘোষণা দেয়া হয়।
হরতাল-অবরোধকে ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন রয়েছে র্যাব, পুলিশ ও বিজিবি। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের যৌথ টহল টিম নামানো হয়েছে। দেশের অন্যান্য নগর মহানগর ও গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। হরতাল-অবরোধের সমর্থনে মিছিল-পিকেটিং ঠেকাতে সর্বত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক তৎপরতা চোখে পড়ার মতো।
এছাড়া অবরোধ-হরতালে যে কোন সহিংসতা মোকাবেলায় পুলিশ-র্যাবের পাশাপাশি সারা দেশে ২৮৭ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার সকালে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় হরতালের সমর্থনে বিক্ষিপ্ত মিছিল-পিকেটিং, অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে তেমন কোন সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
সকালে হরতালে রাজধানীতে সীমিত সংখ্যক গণপরিবহন চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে প্রশাসনের সাথে বৈঠকে ঢাকা পরিবহণ মালিক সমিতির গাড়ি চালানোর আগের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বেলা বাড়ার সাথে সাথে যানবাহন চলাচল বাড়লেও পরিবহনগুলোতে যাত্রী সংখ্যা কম দেখা যায়। এছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলও ছিল কম।
ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক। তবে গাবতলি, সায়েদাবাদ ও মহাখালী থেকে দূরপাল্লার হাতে গোনা কিছু বাস ছেড়ে যেতে দেখা গেছে।
এদিকে দেশের বিভিন্ন নগর-মহানগরসহ জেলায়ও চলছে শান্তিপূর্ণ হরতাল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক প্রহরার মধ্যেও হরতাল-অবরোধের সমর্থনে বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত মিছিল-পিকেটিং করছে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীরা। বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ, রাস্তায় ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। ঘটেছে ককটেল বিস্ফোরণ। জেলা সদর, নগর-মহানগরগুলোর আন্তঃমহাসড়কগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রহরায় কিছু হালকা যানবাহন চলাচল করার খবর পাওয়া গেছে।
হরতালের কারণে পূর্ব নির্ধারিত আজকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া রাজধানীসহ সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই কম দেখা যায়।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে জানানো হয়, অবিলম্বে নির্দলীয় সরকারের অধীনে সবার অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদেরকে গণগ্রেফতার, এখন পর্যন্ত গণদাবির প্রতি তাচ্ছিল্য প্রদর্শন করাসহ বেশ কিছু দাবিতে চলমান অবরোধের পাশাপাশি হরতাল কর্মসূচি বাড়ানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আজ দেশের সব গণতন্ত্রকামী দেশপ্রেমিক জনতা ঐক্যবদ্ধ। সংবিধান স্বীকৃত সব মৌলিক ও মানবাধিকার রক্ষা, ভোটের অধিকার, প্রকৃত জনপ্রতিনিধিত্বশীল সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই চলমান শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। বিনা ভোটের অবৈধ লুটেরা সরকারকে হটানোর কোনো বিকল্প আজ জনগণের সামনে খোলা নেই।
তিনি বলেন, পুলিশি নির্যাতন ও নিয়ন্ত্রিত বিচার ব্যবস্থার কল্যাণে দমন-পীড়নই এখন পতনোন্মুখ সরকারের একমাত্র অবলম্বন। কিছু দলকানা গণমাধ্যমের অপপ্রচার ও ১৪ দলীয় আওয়ামী গলাবাজি শেষ বিচারে ক্ষমতায় টিকে থাকার নিঃস্ফল ব্যাকুলতায় পর্যবসিত হবে শিগগিরই।
চলমান কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে জোটের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ দেশবাসীকে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে
- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/29115/index.html#sthash.2OzdYI9X.dpuf
Post a Comment
Facebook Disqus