বর্তমান বার্তা ডট কম / ২৮ জুন ২০১৫ / চট্টগ্রাম বন্দরে সানফ্লাওয়ার তেলের নামে আমদানি করা ১০৭ টি ড্রামের একটিতে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়ার পর হৈ চৈ পড়ে গেছে। এ ঘটনায় খাতুনগঞ্জের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খানজাহান আলী গ্রুপ এর চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ ও একই গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান প্রাইম হ্যাচারির ব্যবস্থাপক সোহেল এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। মামলাটি তদন্তের জন্য নগর গোয়েন্দা পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এদিকে এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
সানফ্লাওয়ার তেলের আড়ালে আমদানি করা কোকেনের একটি চালান চট্টগ্রাম বন্দরে ডেলিভারির অপেক্ষায় রয়েছে এমন তথ্য ছিল শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কাছে। এ সংস্থার পক্ষ থেকে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়। চট্টগ্রামের একটি ল্যাবে প্রাথমিক পরীক্ষা করা হলেও কোকেনের অস্তিত্ব না পাওয়ায় নমুনাগুলো নিয়ে ঢাকার উন্নত ল্যাবে নতুন করে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে অনুযায়ী ১০৭ টি ড্রাম থেকে ২১৪ সেট (প্রতিটি ড্রাম থেকে দুটি করে) নমুনা নিয়ে যাওয়া হয়। সর্বশেষ ঢাকা বিএসআরআইসি ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর একটি ড্রামে কোকেনের অস্তিত্ব রয়েছে বলে রিপোর্ট দেয়া হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে কোকেনের মতো মাদকের এত বড় চালান আসার ঘটনা এটিই প্রথম ধরা পড়ল। এর আগেও একই ধরনের চালান চট্টগ্রাম বন্দর ব্যাবহার করে পার হয়েছে কিনা সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
বন্দরের পরিচালক (নিরাপত্তা) কর্ণেল আহমদুল কবির রোববার বিকেলে যুগান্তরকে বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর সব সময় সতর্ক, নিরাপত্তা ব্যবস্থাও সবসময় জোরদার থাকে। যেখানে আর্মি ডিউটি দেয়, র্যাব ডিউটি দেয়, পুলিশ ডিউটি দেয় সেখানে বাড়তি সতর্কতার কোনো প্রয়োজন নেই। হিথ্রো পোর্ট থেকে শুরু করে বিশ্বের সব বন্দরই সব সময় নিরাপত্তার ব্যাপারে সতর্ক থাকে। ঠিক একইভাবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষও সতর্ক আছে।
ঢাকার বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ- বিসিএসআরআই ও বাংলাদেশ ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় চট্টগ্রাম বন্দরে আটক সানফ্লাওয়ার তেলের একটি ড্রামে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়ার পর শনিবার রাতেই বন্দর থানায় মামরা দায়ের করা হয়। সিএমপির বন্দর থানার এসআই ওসমান গণি বাদি হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় খানজাহাজনী আলী লিমিটেড এর চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ ও তার ম্যানেজার গোলাম মোস্তফা সোহেলকে সুনির্দ্দষ্ট আসামি ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৫৪ ধারায় ইতিপূর্বে আটক প্রাইম হ্যাঁচারির ব্যবস্থাপক সোহেলকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
অন্যদিকে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরও আন্তর্জাতিক মাফিয়াদের যোগসূত্র ও এই চালান আমদানি বা রপ্তানির সঙ্গে কারা কারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করতে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ জাকির হোসেনকে প্রধান করে গঠিত এ কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
সানফ্লাওয়ার তেলের আড়ালে আমদানি করা কোকেনের একটি চালান চট্টগ্রাম বন্দরে ডেলিভারির অপেক্ষায় রয়েছে এমন তথ্য ছিল শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কাছে। এ সংস্থার পক্ষ থেকে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়। চট্টগ্রামের একটি ল্যাবে প্রাথমিক পরীক্ষা করা হলেও কোকেনের অস্তিত্ব না পাওয়ায় নমুনাগুলো নিয়ে ঢাকার উন্নত ল্যাবে নতুন করে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে অনুযায়ী ১০৭ টি ড্রাম থেকে ২১৪ সেট (প্রতিটি ড্রাম থেকে দুটি করে) নমুনা নিয়ে যাওয়া হয়। সর্বশেষ ঢাকা বিএসআরআইসি ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর একটি ড্রামে কোকেনের অস্তিত্ব রয়েছে বলে রিপোর্ট দেয়া হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে কোকেনের মতো মাদকের এত বড় চালান আসার ঘটনা এটিই প্রথম ধরা পড়ল। এর আগেও একই ধরনের চালান চট্টগ্রাম বন্দর ব্যাবহার করে পার হয়েছে কিনা সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
বন্দরের পরিচালক (নিরাপত্তা) কর্ণেল আহমদুল কবির রোববার বিকেলে যুগান্তরকে বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর সব সময় সতর্ক, নিরাপত্তা ব্যবস্থাও সবসময় জোরদার থাকে। যেখানে আর্মি ডিউটি দেয়, র্যাব ডিউটি দেয়, পুলিশ ডিউটি দেয় সেখানে বাড়তি সতর্কতার কোনো প্রয়োজন নেই। হিথ্রো পোর্ট থেকে শুরু করে বিশ্বের সব বন্দরই সব সময় নিরাপত্তার ব্যাপারে সতর্ক থাকে। ঠিক একইভাবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষও সতর্ক আছে।
ঢাকার বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ- বিসিএসআরআই ও বাংলাদেশ ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় চট্টগ্রাম বন্দরে আটক সানফ্লাওয়ার তেলের একটি ড্রামে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়ার পর শনিবার রাতেই বন্দর থানায় মামরা দায়ের করা হয়। সিএমপির বন্দর থানার এসআই ওসমান গণি বাদি হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় খানজাহাজনী আলী লিমিটেড এর চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ ও তার ম্যানেজার গোলাম মোস্তফা সোহেলকে সুনির্দ্দষ্ট আসামি ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৫৪ ধারায় ইতিপূর্বে আটক প্রাইম হ্যাঁচারির ব্যবস্থাপক সোহেলকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
অন্যদিকে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরও আন্তর্জাতিক মাফিয়াদের যোগসূত্র ও এই চালান আমদানি বা রপ্তানির সঙ্গে কারা কারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করতে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ জাকির হোসেনকে প্রধান করে গঠিত এ কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

Post a Comment
Facebook Disqus