বর্তমান বার্তা ডট কম / ০১ জুন ২০১৫/ বন্দরের তিনগাঁও এলাকার এক মাদ্রাসা ছাত্র নিঁখোজ রয়েছে। গত ১৩ মে মাদ্রাসা থেকে বাড়ীতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে সে নিঁখোজ হয়। জানা গেছে, বন্দর থানার তিনগাঁও মিনারবাড়ী এলাকার মোস্তফা মিয়া ও মোর্শেদা বেগমের ছেলে মোস্তাকিম (১৭) ৪ মাস পূর্বে বন্দর কবরস্থান রোডস্থ আল্লামা বাকী বিল্লাহ কতৃক প্রতিষ্ঠিত জামেয়া গাউছিয়া তৈয়বিয়া তাহেরিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। গত ১৩ মে বাড়ীতে যাওয়ার কথা বলে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে যায়। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছেলেটি বাড়ীতে য়ায়নি। এঘটনায় নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্রের পিতা বন্দর থানায় সাধারণ ডাইরী করেছে। মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবু নাসের মুহাম্মদ মুছা জানান, এর আগেও ছেলেটি চারবার আমাদেরকে না বলে বাড়ীতে চলে গিয়েছিলো। একারণে ছাত্রের বাবাকে ডেকে এনে ছেলেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানাই। ছেলের বাবা শেষবারের মতো সুযোগ চান এবং ছেলেকে মাদ্রাসায় রেখে যায়। ১৩ মে মোস্তাকিম হল সুপারের কাছে বাড়ীতে যাওয়ার কথা বলে ভোরবেলায় বেরিয়ে যায়। পরে তার বাড়ীর লোকজন ফোন করে জানায় সে বাড়ীতে যায়নি। ছেলের বাবা আমার কাছে আসার পর থানায় ডাইরী করার পরামর্শ দেই। এবং সম্ভাব্য স্থান গুলোতে খুঁজতে বলি। পরে মাদ্রাসা কমিটির সাথে আলোচনার পর বন্দর থানায় ডাইরী করতে গেলে ওসি সাহেব জানান, ছেলের বাবা জিডি করে গেছেন, এক ঘটনায় দুইটি জিডি করা যায় না। এদিকে মাদ্রাসা ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করেও এখনো খোঁজ মেলেনি।
বন্দরে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ
বর্তমান বার্তা ডট কম / ০১ জুন ২০১৫/ বন্দরের তিনগাঁও এলাকার এক মাদ্রাসা ছাত্র নিঁখোজ রয়েছে। গত ১৩ মে মাদ্রাসা থেকে বাড়ীতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে সে নিঁখোজ হয়। জানা গেছে, বন্দর থানার তিনগাঁও মিনারবাড়ী এলাকার মোস্তফা মিয়া ও মোর্শেদা বেগমের ছেলে মোস্তাকিম (১৭) ৪ মাস পূর্বে বন্দর কবরস্থান রোডস্থ আল্লামা বাকী বিল্লাহ কতৃক প্রতিষ্ঠিত জামেয়া গাউছিয়া তৈয়বিয়া তাহেরিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। গত ১৩ মে বাড়ীতে যাওয়ার কথা বলে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে যায়। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছেলেটি বাড়ীতে য়ায়নি। এঘটনায় নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্রের পিতা বন্দর থানায় সাধারণ ডাইরী করেছে। মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবু নাসের মুহাম্মদ মুছা জানান, এর আগেও ছেলেটি চারবার আমাদেরকে না বলে বাড়ীতে চলে গিয়েছিলো। একারণে ছাত্রের বাবাকে ডেকে এনে ছেলেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানাই। ছেলের বাবা শেষবারের মতো সুযোগ চান এবং ছেলেকে মাদ্রাসায় রেখে যায়। ১৩ মে মোস্তাকিম হল সুপারের কাছে বাড়ীতে যাওয়ার কথা বলে ভোরবেলায় বেরিয়ে যায়। পরে তার বাড়ীর লোকজন ফোন করে জানায় সে বাড়ীতে যায়নি। ছেলের বাবা আমার কাছে আসার পর থানায় ডাইরী করার পরামর্শ দেই। এবং সম্ভাব্য স্থান গুলোতে খুঁজতে বলি। পরে মাদ্রাসা কমিটির সাথে আলোচনার পর বন্দর থানায় ডাইরী করতে গেলে ওসি সাহেব জানান, ছেলের বাবা জিডি করে গেছেন, এক ঘটনায় দুইটি জিডি করা যায় না। এদিকে মাদ্রাসা ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করেও এখনো খোঁজ মেলেনি।

Post a Comment
Facebook Disqus