বর্তমান বার্তা ডট কম / ২৮ জুন ২০১৫ / পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম ও জুবায়ের হোসেনসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রোববার লাবনী নামে এক নারী ঢাকা মহানগর হাকিম তারেক মঈনুল ইসলাম ভূঁইয়ার আদালতে বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম (৩৪), আমানউল্লা (৫০), মো. রুবেল (২৫), সিরাজ বক্স (৫৫), হারুন (৩৮) এর নাম জানা গেছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১২ মে মিরপুর আলীনগর হাউজিংয়ের পাশে বাদী লাবনীর মামা মমিন বক্স কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে হ্যাবিলি প্রপার্টিজের কাজ করছিলেন। এ সময় স্থানীয় সাইফুল ইসলাম ও আমানউল্লাসহ ১০-১২ জন তাদের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দেয়ায় কাজে বাধা দেয় আসামিরা। এ সময় তারা বাদীর ভাই রাজিব ও তার মামা মমিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর কোনো কারণ ছাড়া পল্লবী থানার এসআই জাহিদুল ইসলাম ঢাকা মেডিকেল থেকে তাদের আটক করে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। বাদী ৫০ হাজার টাকা দেয়। এরপর ১৮ তারিখে পল্লবী থানার অপর এসআই জুবায়ের পল্লবীর সিরামিক রোডে বাদীর শ্বশুরকে হোটেল থেকে পুলিশের গাড়িতে তুলে লাঠিপেটা করেন। এ সময় বাদীর কাছে ৬০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। বাদী ২০ হাজার টাকা দেয়। বাকি টাকা না দেয়ায় তাদের ২০টি রিকশা নিয়ে যায় পুলিশ। এ ছাড়া বাদীর পরিবারের সদস্যদের হত্যা মামলায় জড়ানোরও হুমকি দেয় পুলিশ।
রোববার লাবনী নামে এক নারী ঢাকা মহানগর হাকিম তারেক মঈনুল ইসলাম ভূঁইয়ার আদালতে বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম (৩৪), আমানউল্লা (৫০), মো. রুবেল (২৫), সিরাজ বক্স (৫৫), হারুন (৩৮) এর নাম জানা গেছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১২ মে মিরপুর আলীনগর হাউজিংয়ের পাশে বাদী লাবনীর মামা মমিন বক্স কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে হ্যাবিলি প্রপার্টিজের কাজ করছিলেন। এ সময় স্থানীয় সাইফুল ইসলাম ও আমানউল্লাসহ ১০-১২ জন তাদের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দেয়ায় কাজে বাধা দেয় আসামিরা। এ সময় তারা বাদীর ভাই রাজিব ও তার মামা মমিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর কোনো কারণ ছাড়া পল্লবী থানার এসআই জাহিদুল ইসলাম ঢাকা মেডিকেল থেকে তাদের আটক করে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। বাদী ৫০ হাজার টাকা দেয়। এরপর ১৮ তারিখে পল্লবী থানার অপর এসআই জুবায়ের পল্লবীর সিরামিক রোডে বাদীর শ্বশুরকে হোটেল থেকে পুলিশের গাড়িতে তুলে লাঠিপেটা করেন। এ সময় বাদীর কাছে ৬০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। বাদী ২০ হাজার টাকা দেয়। বাকি টাকা না দেয়ায় তাদের ২০টি রিকশা নিয়ে যায় পুলিশ। এ ছাড়া বাদীর পরিবারের সদস্যদের হত্যা মামলায় জড়ানোরও হুমকি দেয় পুলিশ।

Post a Comment
Facebook Disqus