বর্তমান বার্তা ডট কম / ০৮ জুলাই ২০১৫ / মানুষ যখন একটু উপরে ওঠে যান তখন অর তার মনে চায়না নিচের দিকে তাকাতে। তারা তার অতীত কে মূহৃর্তের মধ্যে ভুলে যান।আর এই সমস্যাটা আমাদের মানুষের মধ্যে কমন ব্যপার। তবে সবাই কি এক? না সবাই এক না।
জেমস ক্যামেরুন একজন ট্রাক ড্রাইভার ছিলেন এই কথাটি স্বীকার করতে বিন্দু মাত্র দেরী হয়না। অমিতাভ বচ্চন এক সময় মাত্র এক টাকা নিয়ে কলকাতা আসেন, তার জীবনটাও অনেক কষ্টের এই কথাটা স্বীকার করতে কখনও সময় লাগেনা। রজনীকান্তের এটা বলতে সমস্যা হয় না যে তিনি একজন বাসের হেলপার ছিলেন। শাহরুখ খানের এটা বলতে কোন সমস্যা নেই যে তিনি মুম্বাইতে এসে পার্কের বেঞ্চে ঘুমাতেন আর বন্ধুর কাছ থেকে ২০ টাকা ধার করে ফিল্ম সিটিতে শুটিং দেখতে যেতেন। ঢাকায় কনসার্ট এ এসে সাড়ে ২৬ হাজার লোকের সামনে লাইভ অনুষ্ঠানে অক্ষয় কুমারের স্বীকার করতে কোন দুঃখ হয়না যে তিনি এই বাংলাদেশের পুরবানি হোটেলের শেফ ছিলেন। আরিফিন শুভর বলতে অসুবিধা হয়না তিনি তার গ্রামের বন্ধুর কাছ থেকে ১৫৬ টাকা ধার নিয়ে মডেলিং করতে এই ঢাকাতে আসেন এবং বন্ধুর মেসে থাকতেন।
আর তাঁর উল্টোদিকে আমাদের দেশের স্বনামধন্য নায়ক নাম্বারওয়ান শাকিব খান। মানে তাঁর চলচিত্র জগতে আসাটা অনেক সহজ। তাকে যদি তার মিডিয়াতে আসা নিয়ে জিজ্ঞেস করা হয় কিভাবে এসেছেন সে মিডিয়াতে তার উওর ঠিক এইরকম হয়। আমি একবার শুটিং দেখতে এসেছি তারপর এক ক্যামেরাম্যান বলল, বাহ তুমিতো দেখতে সুন্দর তোমাকে তো হিরোর মত লাগে দেখতে চল তোমার কিছু ছবি তুলি দেখি ক্যামেরা ফেস কেমন আসে। ব্যাস হয়ে গেল সে নাম্বারওয়ান হিরো। অামার কথা হচ্ছে অসলেই কি অনেক সহজ মিডিয়া অঙ্গনে আসা। আসলে সত্যি কাহিনীটা অনেক নির্মম।
ফিল্ম সিটির নৃত্য পরিচালক আজিজ রেজা খুব নামকরা একজন নৃত্য পরিচালক আর সেই আজিজ এর হাত ধরেই নায়ক শাকিব খানের আবির্ভাব । শাকিবের জন্য এমন কিছু নেই যা তিনি করেননি। আগে শাকিবের স্বাস্থ্য খারাপ ছিল। সে যাতে একটু স্বাস্থ্যবান হয়ে দেখতে সুন্দর হয় এজন্য আজিজ এক রেস্টুরেন্ট ভাড়া করেন। যেখানে বলা ছিল- শাকিব যখন ইচ্ছা এসে যা ইচ্ছা খাবে, বিল সব আমি দিব। অথচ এই শাকিব এখন আজিজ রেজাকে চেনেন না। এমনকি আজিজের বাবা মারা যাওয়ার দিন আজিজের বাসা থেকে মাত্র দশ মিনিটের দূরত্বে শাকিব শুটিং করছিলেন। অথচ খবর পাওয়ার পরেও তিনি আজিজের বাবার জানাজায় আসেননি। বাকি সবার সাথে শাকিবের পার্থক্য এখানেই। এমনকি শাকিবের কোন ছবিতে আজিজ রেজাকে নৃত্য পরিচারকএ নেয়া হয়না।
তিনি সম্ভবত একমাত্র নায়ক, যিনি নিজেকে এক নাম্বার বলে নিজের নামে ছবি বানান ‘নাম্বার ওয়ান শাকিব খান’। কিন্তু অন্যদের এটা করতে হয় না, কারণ তারা তাদের অতীত, তাদের সংগ্রামের কথা ভোলেন না। এজন্য রজনীকান্ত ইজ রজনীকান্ত। আর গুগলে নাম্বার ওয়ান পপুলার স্টার অন দা আর্থ লিখলে শাহরুখ এর নাম আসে।
আমি শাকিবকে কোন দোষ দেইনা, কিন্তু যেই মানুষ তার অতীত ভুলে যায় তার ফল কিন্তু ভাল হয়না। আর হ্যা নিজেকে বাহিরের লোকদের সামনে ঢেকে রাখতে পারবেন কিন্তু যেই জায়গায় থেকে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সেইখান থেকে কিভাবে নিজেকে ঢাকবেন।
জেমস ক্যামেরুন একজন ট্রাক ড্রাইভার ছিলেন এই কথাটি স্বীকার করতে বিন্দু মাত্র দেরী হয়না। অমিতাভ বচ্চন এক সময় মাত্র এক টাকা নিয়ে কলকাতা আসেন, তার জীবনটাও অনেক কষ্টের এই কথাটা স্বীকার করতে কখনও সময় লাগেনা। রজনীকান্তের এটা বলতে সমস্যা হয় না যে তিনি একজন বাসের হেলপার ছিলেন। শাহরুখ খানের এটা বলতে কোন সমস্যা নেই যে তিনি মুম্বাইতে এসে পার্কের বেঞ্চে ঘুমাতেন আর বন্ধুর কাছ থেকে ২০ টাকা ধার করে ফিল্ম সিটিতে শুটিং দেখতে যেতেন। ঢাকায় কনসার্ট এ এসে সাড়ে ২৬ হাজার লোকের সামনে লাইভ অনুষ্ঠানে অক্ষয় কুমারের স্বীকার করতে কোন দুঃখ হয়না যে তিনি এই বাংলাদেশের পুরবানি হোটেলের শেফ ছিলেন। আরিফিন শুভর বলতে অসুবিধা হয়না তিনি তার গ্রামের বন্ধুর কাছ থেকে ১৫৬ টাকা ধার নিয়ে মডেলিং করতে এই ঢাকাতে আসেন এবং বন্ধুর মেসে থাকতেন।
আর তাঁর উল্টোদিকে আমাদের দেশের স্বনামধন্য নায়ক নাম্বারওয়ান শাকিব খান। মানে তাঁর চলচিত্র জগতে আসাটা অনেক সহজ। তাকে যদি তার মিডিয়াতে আসা নিয়ে জিজ্ঞেস করা হয় কিভাবে এসেছেন সে মিডিয়াতে তার উওর ঠিক এইরকম হয়। আমি একবার শুটিং দেখতে এসেছি তারপর এক ক্যামেরাম্যান বলল, বাহ তুমিতো দেখতে সুন্দর তোমাকে তো হিরোর মত লাগে দেখতে চল তোমার কিছু ছবি তুলি দেখি ক্যামেরা ফেস কেমন আসে। ব্যাস হয়ে গেল সে নাম্বারওয়ান হিরো। অামার কথা হচ্ছে অসলেই কি অনেক সহজ মিডিয়া অঙ্গনে আসা। আসলে সত্যি কাহিনীটা অনেক নির্মম।
ফিল্ম সিটির নৃত্য পরিচালক আজিজ রেজা খুব নামকরা একজন নৃত্য পরিচালক আর সেই আজিজ এর হাত ধরেই নায়ক শাকিব খানের আবির্ভাব । শাকিবের জন্য এমন কিছু নেই যা তিনি করেননি। আগে শাকিবের স্বাস্থ্য খারাপ ছিল। সে যাতে একটু স্বাস্থ্যবান হয়ে দেখতে সুন্দর হয় এজন্য আজিজ এক রেস্টুরেন্ট ভাড়া করেন। যেখানে বলা ছিল- শাকিব যখন ইচ্ছা এসে যা ইচ্ছা খাবে, বিল সব আমি দিব। অথচ এই শাকিব এখন আজিজ রেজাকে চেনেন না। এমনকি আজিজের বাবা মারা যাওয়ার দিন আজিজের বাসা থেকে মাত্র দশ মিনিটের দূরত্বে শাকিব শুটিং করছিলেন। অথচ খবর পাওয়ার পরেও তিনি আজিজের বাবার জানাজায় আসেননি। বাকি সবার সাথে শাকিবের পার্থক্য এখানেই। এমনকি শাকিবের কোন ছবিতে আজিজ রেজাকে নৃত্য পরিচারকএ নেয়া হয়না।
তিনি সম্ভবত একমাত্র নায়ক, যিনি নিজেকে এক নাম্বার বলে নিজের নামে ছবি বানান ‘নাম্বার ওয়ান শাকিব খান’। কিন্তু অন্যদের এটা করতে হয় না, কারণ তারা তাদের অতীত, তাদের সংগ্রামের কথা ভোলেন না। এজন্য রজনীকান্ত ইজ রজনীকান্ত। আর গুগলে নাম্বার ওয়ান পপুলার স্টার অন দা আর্থ লিখলে শাহরুখ এর নাম আসে।
আমি শাকিবকে কোন দোষ দেইনা, কিন্তু যেই মানুষ তার অতীত ভুলে যায় তার ফল কিন্তু ভাল হয়না। আর হ্যা নিজেকে বাহিরের লোকদের সামনে ঢেকে রাখতে পারবেন কিন্তু যেই জায়গায় থেকে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সেইখান থেকে কিভাবে নিজেকে ঢাকবেন।

Post a Comment
Facebook Disqus