বর্তমান বার্তা ডট কম / ০৬ জুলাই ২০১৫ / ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন নসিমন,করিমন,হ্যান্ডট্রলি,স্যালো বাইক, ভটভটি, টেম্পো ও ট্রাক আকৃতির চাকার দাপট বাড়ছেই। এসব অবৈধ যানবাহনের বেপরোয়া ও অবাধ চলাচলে নিরাপদ সড়ক বলতে যা বোঝায় তা মুখ থুবড়ে পড়েছে। প্রতিদিন নতুন নতুন স্যালো ইঞ্জিন চালিত এই পরিবহন দখল করে নিচ্ছে সোনারগাঁ উপজেলা সদর, ইউনিয়ণ ও গ্রামীণ রাস্তা। অবৈধ এই পরিবহনের কারনে মৃত্যুর তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। গত ১০ বছরে সোনারগাঁ উপজেলায় এই অবৈধ যান চলাচলের কারনে দুর্ঘটনায় মারা গেছে প্রায় অর্ধশতাধিক লোক। প্রতিদিনই অবৈধ এসব যানবাহন উল্টে, আবার কখনও ধাক্কায় মারাতœক আহত ও মারা যাচ্ছে মানুষ। কিন্তু প্রতিকার নেই। অদক্ষ চালক, ত্রুুটিযুক্ত ব্রেক ও কারিগরি দুর্বলতার কারনে প্রায় প্রতিদিনই অবৈধ এই যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের প্রানহানি ঘটছে। মহাসড়কে দ্রুুত গতিতে চলতে গিয়ে হঠাৎ বিপরীত দিক থেকে কোন পরিবহন বা রাস্তার ওপর কোনো প্রাণী পড়লেই দুর্ঘটনায় পতিত হয়। ফলে প্রায় চালক ও যাত্রী হতাহতের ঘটনা ঘটে। পরিবহনটি একেবারেই অনিরাপদ বলে সচেতন মহলের অভিমত। ১৯৯০ সালে আবিস্কৃত এসব যানবাহনের বিস্তার যেমন বাড়ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হারও। সোনারগাঁ উপজেলা সদর ও গ্রামগঞ্জে এসব যানবাহনের ভীতিকর কদর রয়েছে। ১২ হর্স পাওয়ারের স্যালো মাইক্রোবাস ও টেম্পোর চাকা দিয়ে তৈরি হওয়া এই যানবাহনে এক টনেরও অধিক মালামাল বহন করা যায়।
জানাগেছে, সোনারগাঁ উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় এ গাড়ীর সংখ্যা আনুমানিক ৭ শতাধিক। এসব অবৈধ যানবাহন তৈরি ও মেরামত করার জন্য বিভিন্ন স্থানে ওয়ার্কশপ ও কারখানা রয়েছে। বিগত সময়ে স্থানীয় পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সোচ্চার হয়ে অবৈধ এসব যান চলাচলের বিরুদ্ধে আন্দোলন করলেও কোন প্রতিকার হয়নি। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি প্রশাসনিক নজরদারীতে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করলে অবৈধ এসব যান চলাচল বন্ধ করা কোন কঠিন বিষয় নয়।

Post a Comment
Facebook Disqus