সোনারগাঁ প্রতিনিধি / আবদুস ছাত্তার / বর্তমান বার্তা ডট কম / ৩০ জুন ২০১৬ / নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার পৌরসভা কৃষ্ণপুরা এলাকা থেকে গতকাল বুধবার সকালে যৌতুক লোভী পাষন্ড স্বামী আতিকুর রহমান সুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে। গত সোমবার রাত ৮ টার পৌরসভার কৃষ্ণপুরা গ্রামের আউয়ালের ছেলে আতিকুর রহমান সুজন স্ত্রী মানসুরা আক্তারের কাছে তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে লোহার রড ও ধারালো ছোরা দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত করেছেন। পরে মারাত্মক আহত গৃহবধূ মানসুরা আক্তার নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় গতকাল বুধবার গৃহবধূ মানসুরা আক্তার বাদি হয়ে সোনারগাঁও থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। 
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার কৃষ্ণপুরা গ্রামের আব্দুল আউয়ালের ছেলে আতিকুর রহমান সুজন বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের দাউদেরগাঁও গ্রামের মৃত মোবারক হোসেন মেয়ে মানসুরা আক্তারকে গত ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল তারিখে ইসলামিক শরিয়ত মোতাবেক পঞ্চাশ লাখ টাকা দেন মোহর ধার্য্যে রেজিষ্ট্রিকৃত কাবিননামা মূল্যে বিবাহ করে। বিবাহর সময় বাল্কহেড ক্রয় করে ব্যবসা করার জন্য নগদ পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে গ্রহন করেন আতিকুর রহমান সুজন। পরে এক বছর অতিবাহিত হওয়ার পর থেকে আবারও তিন লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দাবি করে। এতে গৃহবধূ মানসুরা আক্তার টাকা দিতে অপারগতা জানাইলে পাষন্ড স্বামী আতিকুর রহমান সুজন ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যা করার উদ্দেশে ধারালো লম্বা ছোরা দিয়ে এলোপাতিল ভাবে কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত করেন এবং তার চাচা সফিক, কবির, আক্কাস ও তার মামা শাহিন লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে মানসুরা আক্তারকে রক্তাক্ত জখম করে। 
এ ব্যাপারে সোনারগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মঞ্জুর কাদের নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ধারায় মামলা ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


Post a Comment

Disqus