বর্তমান বার্তা ডট কম / ২৯ অক্টোবর ২০১৬ / সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুরইউনিয়নের বরাব এলাকায় মোহাম্মদপুর দাখিল মাদ্রাসার নাম ভাঙ্গিয়ে টাকা তুলে আত্মসাত করার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার সুপারেন্টেন শহিদুল হকের বিরুদ্ধে । এলাকাবাসীর অভিযোগ তিনি দীর্ঘদিন যাবত অনিয়মের মাধ্যমে মাদ্রাসাকে পুজি করে নিজে কোটিপতি হয়েছেন কিন্তু মাদ্রাসার কোন উন্নয়ন হয়নী ।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক  কয়েকজন এলাকাবাসী বলেন, অবৈধ উপায়ে কামানো টাকার জোরে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির লোকদের এবং স্থানীয় প্রভাবশালীদের মেনেজ করে বছরের পর বছর  দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছেন তার অপকর্ম । কয়েক বছরে তিনি জিরু থেকে হয়েছেন হিরু , মাদ্রাসার টাকায় নামে বেনামে বিভিন্ন এলাকায় কিনেছেন জায়গা জমি এবং সিদ্বিরগঞ্জের চিটাগংরোডে নির্মান করছেন কোটি টাকার বহতল ভবন । সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসনকে ফাকি দিয়ে বরাব এলাকায় সরকারি জমি দখল করে এক রাতে নির্মাণ করেছেন দোকানপাট  । তার দাপটে এলাকাবাসী মুখ খুলতে ভয় পাচ্ছে ।  শহিদুল হক বিভিন্ন লোকজনকে দিয়ে মাদ্রাসার নামে টাকা উঠিয়ে নিজে আত্মসাত করে বলে এলাকাবাসী জানান ।  খোজ নিয়ে জানা গেছে ইসমাইল ফরাজী নামে এক লোককে দিয়ে  মাদ্রাসার নামে টাকা তুলতে অনুমতি পত্র দেন সুপারেন্টেন শহিদুল হক । প্রতিমাসে কয়েক লাখ টাকা উত্তোলন করা হলেও চালাকী করে মাদ্রাসায় প্রতিমাসে নামে মাত্র ১ হাজার টাকা জমা দেওয়ার চুক্তি করে বাকী টাকা নিজে আত্মসাত করে । এ নিয়ে এলাকাবাসী মুখ খুলতে চাইলে টাকার বিনিময়ে প্রভাবশালেিদর মেনেজ করে নামকাওয়াস্তে সালিশ করে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে । এ নিয়ে  এলাকাবাসীদের মধ্যে চাপাক্ষোভ বিরাজ করছে  । সুপারেন্টেন শহিদুল হকের দুনীতির বিরুদ্ধে রুখে দারাবে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকাবাসী । এব্যপারে সুপারেন্টেন শহিদুল হকের সাথে কথা হলে কোটি টাকার বহুতলবভন জায়গাজমির কথা চেপে গিয়ে তিনি বলেন মাদ্রাসার টাকা তোলার ব্যপার নিয়ে একবার সালিশ হয়েছে তা ছাড়া বর্তমান চেয়ারম্যান আমার কাছের লোক তিনি সব জানেন আমি সামান্য বেতন পাই অনেক সময় পাই না ।   এ ব্যাপারে সাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  আঃ রশিদ বলেন এ বিষয়ে এলাকায় সালিশ হয়েছিল কিন্তু আমি কোন দুনীতিবাজ লোকের সাথে নেই ।



Post a Comment

Disqus