বর্তমান বার্তা.কম/আন্তরজার্তিক/ ২২ ফেব্রুয়ারি/ তিস্তা ও সীমান্ত সমস্যার জট খোলার আশাবাদ জানিয়ে ৪৮ ঘণ্টার ঢাকা সফর শেষে ফিরে গেলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
নিজের এই সফরকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘অনেক দুয়ার খোলা’র সঙ্গে তুলনা করে যাওয়ার বেলায় তিনি জীবনানন্দ দাশের কবিতা উদ্ধৃত করে বলেছেন, ‘আবার আসিব ফিরে’।
শনিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ভারতের উদ্দেশে রওনা হন মমতা। বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
ভাষা শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা এসেছিলেন বাংলাদেশ লাগোয়া ভারতের বাংলাভাষী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা।
তিস্তা চুক্তি সই এবং স্থল সীমান্ত চুক্তি কার্যকর আটকে থাকার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতার এই সফর বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই দেখা হচ্ছিল।
কারণ দুই দেশের কেন্দ্রীয় সরকারের বিষয় হলেও মমতার আপত্তিতেই চার বছর আগে আটকে গিয়েছিল তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি। তখন স্থল সীমান্ত চুক্তি কার্যকরে বিরোধিতা থাকলেও এখন তার সুর অনেকটাই নরম।
সফরে শনিবারই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে তিস্তা চুক্তির জট অচিরেই কাটবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মমতা। ছিটমহল বিনিময়ে ভারেতের সংবিধান সংশোধন বিলও লোকসভার আগামী অধিবেশনে পাস হবে বলে আশার কথা শুনিয়ে গেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সোনারগাঁও হোটেলে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের যৌথ এক অনুষ্ঠানে অংশ নেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।
সেখান থেকে যমুনায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর বিমানবন্দরে রওনা হন তিনি।
দেশে ফিরতে বিমানে ওঠার আগে মমতা সাংবাদিকদের বলেন, “খুবই ভালো সফর হয়েছে। সবাই খুব উৎসাহিত, অনেকদিন মনে থাকবে আমাদের সবার।”
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার এবং ১৭ বছর পর ঢাকায় এই সফরে কয়েকজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও ব্যবসায়ী, সাংবাদিকদের নিয়ে আসেন মমতা।
সফরের বিভিন্ন বৈঠক ও আলোচনার সূত্র ধরে তিনি বলেন, “আমি মনে করি, যতগুলো কাজ হয়েছে, আলোচনা হয়েছে, যতগুলো চ্যাপ্টার ওপেন হয়েছে, অনেক দরজা খুলেছে, ইটস এ নিউ বিগিনিং (নতুন সূচনা)।”দুই দেশের মানুষের যাতায়াত বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে মমতা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।
“আমাদের যাত্রা হল শুরু। ওগো কর্ণধার, তোমারে করি নমস্কার। বাংলাদেশের সবাইকে নমস্কার। আবার আসব, দেখা হবে,” বলেই জীবনানন্দের চরণ উদ্ধৃত করেন তিনি।
বিদায় বেলায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার একটি ফুলের তোড়া উপহার দিলে মমতা তা ফিরিয়ে দিয়ে বলেন, এটা বাংলাদেশের মা ও ভাইদের দিয়ে গেলাম।
শনিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ভারতের উদ্দেশে রওনা হন মমতা। বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
ভাষা শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা এসেছিলেন বাংলাদেশ লাগোয়া ভারতের বাংলাভাষী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা।
তিস্তা চুক্তি সই এবং স্থল সীমান্ত চুক্তি কার্যকর আটকে থাকার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতার এই সফর বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই দেখা হচ্ছিল।
কারণ দুই দেশের কেন্দ্রীয় সরকারের বিষয় হলেও মমতার আপত্তিতেই চার বছর আগে আটকে গিয়েছিল তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি। তখন স্থল সীমান্ত চুক্তি কার্যকরে বিরোধিতা থাকলেও এখন তার সুর অনেকটাই নরম।
সফরে শনিবারই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে তিস্তা চুক্তির জট অচিরেই কাটবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মমতা। ছিটমহল বিনিময়ে ভারেতের সংবিধান সংশোধন বিলও লোকসভার আগামী অধিবেশনে পাস হবে বলে আশার কথা শুনিয়ে গেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সোনারগাঁও হোটেলে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের যৌথ এক অনুষ্ঠানে অংশ নেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।
সেখান থেকে যমুনায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর বিমানবন্দরে রওনা হন তিনি।
দেশে ফিরতে বিমানে ওঠার আগে মমতা সাংবাদিকদের বলেন, “খুবই ভালো সফর হয়েছে। সবাই খুব উৎসাহিত, অনেকদিন মনে থাকবে আমাদের সবার।”
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার এবং ১৭ বছর পর ঢাকায় এই সফরে কয়েকজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও ব্যবসায়ী, সাংবাদিকদের নিয়ে আসেন মমতা।
“আমাদের যাত্রা হল শুরু। ওগো কর্ণধার, তোমারে করি নমস্কার। বাংলাদেশের সবাইকে নমস্কার। আবার আসব, দেখা হবে,” বলেই জীবনানন্দের চরণ উদ্ধৃত করেন তিনি।
বিদায় বেলায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার একটি ফুলের তোড়া উপহার দিলে মমতা তা ফিরিয়ে দিয়ে বলেন, এটা বাংলাদেশের মা ও ভাইদের দিয়ে গেলাম।
Post a Comment
Facebook Disqus