
বুধবার রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের দৌলতপুর এলাকায় সহিংসতার এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- অটোরিকশার চালক আমজাদ (২৬), ইদ্রিস (২০), সাজ্জাদ (২৪), রহিম (২৩) ও কালাম (২২)। এদের মধ্যে ইদ্রিস ও সাজ্জাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তাদের সবার বাড়ি কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায়।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দীন জানান, অটোরিকশায় গ্যাস নেওয়ার জন্য চালক পটিয়ার একটি ফিলিং স্টেশনে আসেন। পরে চারজন যাত্রী নিয়ে পেকুয়ায় ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা পেট্রোলবোমা ছুড়ে মারলে অটোরিকশায় আগুন ধরে যায়। এতে চালকসহ অটোরিকশায় থাকা পাঁচজনই দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রথমে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়।
ওসি জানান, আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ওসমানী মেডিকেলে ১০ শিশুসহ ৩২ জনের মৃত্যু
সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। স্বজনদের অভিযোগ চিকিৎসকদের ভুল চিকিৎসা এবং গাফিলতির কারণেই শিশুদের মৃত্যু হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলো- সিলেটের গোয়াইনঘাটের সায়মা (দেড় বছর), জকিগঞ্জের ১০ গ্রামের আকাশ (সাতদিন), নগরীর শেখঘাটের নিলুফার নবজাতক মেয়ে, শাহপরানের আসমা ও একই এলাকার সন্ধ্যা রানীর নবজাতক মেয়ে, সুনামগঞ্জ সদরের তাজরিয়া সাড়ে তিন বছর, মেহেদি (আড়াই মাস), ছাতকের সাফরাজ (তিন বছর), বিশ্বম্ভরপুরের নাদিনা (ছয় মাস), হবিগঞ্জের ইয়াসমিন (তিন দিন)।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বজনদের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে জানিয়েছেন, বিভিন্ন রোগ ও ঠাণ্ডাজনিত কারণে এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর জন্য চিকিৎসকরা দায়ী নয়।
উপ পরিচালক ডা. আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রতিদিন ওসমানী হাসপাতালে ১০ জন রোগী মারা যায়। এর মধ্যে দুই-একজন শিশু থাকে। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় হাসাপাতালে ৩২ জন রোগী মারা গেছে। এর মধ্যে গত সোমবার রাত নয়টা থেকে মঙ্গলবার সকাল সাতটা পর্যন্ত ১০টি শিশু মারা গেছে।’
অস্বাভাবিক হারে শিশু মৃত্যু হওয়ায় এবং স্বজনদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/47094#sthash.VTcPAHCN.dpuf
ওসমানী মেডিকেলে ১০ শিশুসহ ৩২ জনের মৃত্যু
সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। স্বজনদের অভিযোগ চিকিৎসকদের ভুল চিকিৎসা এবং গাফিলতির কারণেই শিশুদের মৃত্যু হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলো- সিলেটের গোয়াইনঘাটের সায়মা (দেড় বছর), জকিগঞ্জের ১০ গ্রামের আকাশ (সাতদিন), নগরীর শেখঘাটের নিলুফার নবজাতক মেয়ে, শাহপরানের আসমা ও একই এলাকার সন্ধ্যা রানীর নবজাতক মেয়ে, সুনামগঞ্জ সদরের তাজরিয়া সাড়ে তিন বছর, মেহেদি (আড়াই মাস), ছাতকের সাফরাজ (তিন বছর), বিশ্বম্ভরপুরের নাদিনা (ছয় মাস), হবিগঞ্জের ইয়াসমিন (তিন দিন)।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বজনদের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে জানিয়েছেন, বিভিন্ন রোগ ও ঠাণ্ডাজনিত কারণে এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর জন্য চিকিৎসকরা দায়ী নয়।
উপ পরিচালক ডা. আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রতিদিন ওসমানী হাসপাতালে ১০ জন রোগী মারা যায়। এর মধ্যে দুই-একজন শিশু থাকে। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় হাসাপাতালে ৩২ জন রোগী মারা গেছে। এর মধ্যে গত সোমবার রাত নয়টা থেকে মঙ্গলবার সকাল সাতটা পর্যন্ত ১০টি শিশু মারা গেছে।’
অস্বাভাবিক হারে শিশু মৃত্যু হওয়ায় এবং স্বজনদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/47094#sthash.VTcPAHCN.dpuf
ওসমানী মেডিকেলে ১০ শিশুসহ ৩২ জনের মৃত্যু
সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। স্বজনদের অভিযোগ চিকিৎসকদের ভুল চিকিৎসা এবং গাফিলতির কারণেই শিশুদের মৃত্যু হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলো- সিলেটের গোয়াইনঘাটের সায়মা (দেড় বছর), জকিগঞ্জের ১০ গ্রামের আকাশ (সাতদিন), নগরীর শেখঘাটের নিলুফার নবজাতক মেয়ে, শাহপরানের আসমা ও একই এলাকার সন্ধ্যা রানীর নবজাতক মেয়ে, সুনামগঞ্জ সদরের তাজরিয়া সাড়ে তিন বছর, মেহেদি (আড়াই মাস), ছাতকের সাফরাজ (তিন বছর), বিশ্বম্ভরপুরের নাদিনা (ছয় মাস), হবিগঞ্জের ইয়াসমিন (তিন দিন)।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বজনদের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে জানিয়েছেন, বিভিন্ন রোগ ও ঠাণ্ডাজনিত কারণে এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর জন্য চিকিৎসকরা দায়ী নয়।
উপ পরিচালক ডা. আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রতিদিন ওসমানী হাসপাতালে ১০ জন রোগী মারা যায়। এর মধ্যে দুই-একজন শিশু থাকে। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় হাসাপাতালে ৩২ জন রোগী মারা গেছে। এর মধ্যে গত সোমবার রাত নয়টা থেকে মঙ্গলবার সকাল সাতটা পর্যন্ত ১০টি শিশু মারা গেছে।’
অস্বাভাবিক হারে শিশু মৃত্যু হওয়ায় এবং স্বজনদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/47094#sthash.VTcPAHCN.dpuf
ওসমানী মেডিকেলে ১০ শিশুসহ ৩২ জনের মৃত্যু
সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। স্বজনদের অভিযোগ চিকিৎসকদের ভুল চিকিৎসা এবং গাফিলতির কারণেই শিশুদের মৃত্যু হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলো- সিলেটের গোয়াইনঘাটের সায়মা (দেড় বছর), জকিগঞ্জের ১০ গ্রামের আকাশ (সাতদিন), নগরীর শেখঘাটের নিলুফার নবজাতক মেয়ে, শাহপরানের আসমা ও একই এলাকার সন্ধ্যা রানীর নবজাতক মেয়ে, সুনামগঞ্জ সদরের তাজরিয়া সাড়ে তিন বছর, মেহেদি (আড়াই মাস), ছাতকের সাফরাজ (তিন বছর), বিশ্বম্ভরপুরের নাদিনা (ছয় মাস), হবিগঞ্জের ইয়াসমিন (তিন দিন)।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বজনদের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে জানিয়েছেন, বিভিন্ন রোগ ও ঠাণ্ডাজনিত কারণে এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর জন্য চিকিৎসকরা দায়ী নয়।
উপ পরিচালক ডা. আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রতিদিন ওসমানী হাসপাতালে ১০ জন রোগী মারা যায়। এর মধ্যে দুই-একজন শিশু থাকে। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় হাসাপাতালে ৩২ জন রোগী মারা গেছে। এর মধ্যে গত সোমবার রাত নয়টা থেকে মঙ্গলবার সকাল সাতটা পর্যন্ত ১০টি শিশু মারা গেছে।’
অস্বাভাবিক হারে শিশু মৃত্যু হওয়ায় এবং স্বজনদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/47094#sthash.VTcPAHCN.dpuf
ওসমানী মেডিকেলে ১০ শিশুসহ ৩২ জনের মৃত্যু
সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। স্বজনদের অভিযোগ চিকিৎসকদের ভুল চিকিৎসা এবং গাফিলতির কারণেই শিশুদের মৃত্যু হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলো- সিলেটের গোয়াইনঘাটের সায়মা (দেড় বছর), জকিগঞ্জের ১০ গ্রামের আকাশ (সাতদিন), নগরীর শেখঘাটের নিলুফার নবজাতক মেয়ে, শাহপরানের আসমা ও একই এলাকার সন্ধ্যা রানীর নবজাতক মেয়ে, সুনামগঞ্জ সদরের তাজরিয়া সাড়ে তিন বছর, মেহেদি (আড়াই মাস), ছাতকের সাফরাজ (তিন বছর), বিশ্বম্ভরপুরের নাদিনা (ছয় মাস), হবিগঞ্জের ইয়াসমিন (তিন দিন)।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বজনদের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে জানিয়েছেন, বিভিন্ন রোগ ও ঠাণ্ডাজনিত কারণে এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর জন্য চিকিৎসকরা দায়ী নয়।
উপ পরিচালক ডা. আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রতিদিন ওসমানী হাসপাতালে ১০ জন রোগী মারা যায়। এর মধ্যে দুই-একজন শিশু থাকে। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় হাসাপাতালে ৩২ জন রোগী মারা গেছে। এর মধ্যে গত সোমবার রাত নয়টা থেকে মঙ্গলবার সকাল সাতটা পর্যন্ত ১০টি শিশু মারা গেছে।’
অস্বাভাবিক হারে শিশু মৃত্যু হওয়ায় এবং স্বজনদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/47094#sthash.VTcPAHCN.dpuf
ওসমানী মেডিকেলে ১০ শিশুসহ ৩২ জনের মৃত্যু
সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। স্বজনদের অভিযোগ চিকিৎসকদের ভুল চিকিৎসা এবং গাফিলতির কারণেই শিশুদের মৃত্যু হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলো- সিলেটের গোয়াইনঘাটের সায়মা (দেড় বছর), জকিগঞ্জের ১০ গ্রামের আকাশ (সাতদিন), নগরীর শেখঘাটের নিলুফার নবজাতক মেয়ে, শাহপরানের আসমা ও একই এলাকার সন্ধ্যা রানীর নবজাতক মেয়ে, সুনামগঞ্জ সদরের তাজরিয়া সাড়ে তিন বছর, মেহেদি (আড়াই মাস), ছাতকের সাফরাজ (তিন বছর), বিশ্বম্ভরপুরের নাদিনা (ছয় মাস), হবিগঞ্জের ইয়াসমিন (তিন দিন)।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বজনদের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে জানিয়েছেন, বিভিন্ন রোগ ও ঠাণ্ডাজনিত কারণে এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর জন্য চিকিৎসকরা দায়ী নয়।
উপ পরিচালক ডা. আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রতিদিন ওসমানী হাসপাতালে ১০ জন রোগী মারা যায়। এর মধ্যে দুই-একজন শিশু থাকে। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় হাসাপাতালে ৩২ জন রোগী মারা গেছে। এর মধ্যে গত সোমবার রাত নয়টা থেকে মঙ্গলবার সকাল সাতটা পর্যন্ত ১০টি শিশু মারা গেছে।’
অস্বাভাবিক হারে শিশু মৃত্যু হওয়ায় এবং স্বজনদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/47094#sthash.VTcPAHCN.dpuf
Post a Comment
Facebook Disqus