
অভিনয় করেছেন জায়েদ খান ও আনিসুররহমান মিলন।পরীমনি ক্যারিয়ার শুরুর দুই বছরের অভিনয় করেফেলেছেন ৩০টি সিনেমাতে, কিন্ত মুক্তি পায়নি একটিও। আর তাই দীর্ঘ দিন ধরেইআলোচনায় ছিলেন। শুক্রবার সেই প্রতিক্ষার অবসান হচ্ছে।প্রথমসিনেমা মুক্তির আনন্দে আত্মহারা পরী। তিনি বলেন, অনেক স্বপ্ন নিয়ে আমিসিনেমাতে অভিনয় করছি। অভিনয়ের জাদুতেই আমি দর্শকদের হৃদয় জয় করতে চাই।প্রথম সিনেমাটি নিয়ে আমার অনেক আশা, আকাঙ্ক্ষা। সবে এসেছিলাম চলচ্চিত্রে।হয়তো অনেক ভুলও হতে পারে। তবে সবকিছুর পরে আমার দর্শকের অপেক্ষার পালা শেষহচ্ছে, এটা দারুণ স্বস্তির খবর।পরী আরও বলেন, মন্দ লোকে কতকটু কথাই বলবে। ওসবে আমি কান দিই না। আমার যোগ্যতা আছে বলেই কোনো সিনেমামুক্তির আগে এতগুলো চলচ্চিত্রে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। ‘ভালোবাসা সীমাহীন’ মুক্তি পাক, নিন্দুকদের সব ধারণা পাল্টে যাবে।সিনেমাটিরপ্রধান অভিনেতা জায়েদ খান বলছেন, নিখুঁত প্রেমের গল্পের সিনেমাতে পরীমনিরসঙ্গে করা এটাই আমার প্রথম কাজ। তখন আমি পরীকে চিনি না। সহ-অভিনেত্রীহিসেবে পরী তার শতভাগ দিতে চেষ্টা করেছে। পরিচালক মন্ডলও পরিশ্রম করেছেনঅনেক। এখন বাকিটা দর্শকের উপর নির্ভর করছে।আনিসুর রহমান মিলন সিনেমাটি নিয়ে দারুণ আশাবাদী। “এখনইপ্রত্যাশার কথা বলবো না। হলে গিয়ে দেখবো দর্শকের প্রতিক্রিয়া কেমন। আমরাসবাই কেমন কাজ করেছি, তা হলে গিয়ে দেখুক সবাই। এটুকু বলতে পারি, রোমান্টিকসিনেমা হিসেবে ‘ভালোবাসা সীমাহীন’ সত্যি অসাধারণ।” সিনেমারগল্পে দেখা যাবে, মির্জা পরিবারের সন্তান জায়েদকে ভালোবাসে তালুকদারপরিবারের মেয়ে পরীমনি। তাদের এ ভালোবাসায় বাধা হয়ে দাঁড়ায় দুই পরিবার। একপর্যায়ে পরীমনি বিয়ে করেন মিলনকে। তখন শুরু হয় সম্পর্কের নানা টানাপড়েন।এভাবেই এগিয়ে যায় এ চলচ্চিত্রের গল্প।নোমান কথাচিত্রের ব্যানারে নির্মিত এ সিনেমাতে রয়েছে ছয়টি গান। সিনেমার সংগীত পরিচালনা করেছেন আলী আকরাম শুভ।
Post a Comment
Facebook Disqus