স্টাফ রিপোটার/বর্তমানবার্তা ডট কম / ৪ মার্চ২০১৫/প্রতি বছর বর্ষাকালে অপরূপ সৌন্দর্যে সজ্জিত হয় ব্রাজিলের জাতীয় পার্ক “লেনচয়েস মারানহেঞ্চেস”। এই সময়ে ভ্রমণকারীরা অসাধারণ কিছু দৃশ্য উপভোগ করতে পারে।
লেনচয়েস মারানহেঞ্চেস পার্কের ডাইরেক্টর কেরোলিনা আলভাইট বলেন, “এখানে পৃথিবীকে সমান্তরাল মনে হয়”। পার্কটি ৩০ বছর আগে তৈরি করা হয়েছে, যার আয়তন ৬০০ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এটি একটি বালিয়াড়ি এলাকা।
পার্কটির পাশেই বাহামা সমুদ্র প্রবাহিত হচ্ছে। পার্কের মাঝে বালুর উপর সামুদ্রিক পানি ভেসে ওঠে। শুধুমাত্র সাহারাতেই পানির এই মরীচিকা সত্যি সত্যিই অভিভূত হয়।
ফেডারেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোলবিদ এন্টোনিও করডেইরো বলেছেন, “বাস্তবিক, বিভিন্ন কারিগরি ও প্রযুক্তিগত গবেষণার মতে, লেনচয়েস সত্যিই একটি মরুভূমি নয়”। এক বছরে এই অঞ্চলে ৪৭ ইঞ্চি পরিমাণ বৃষ্টি পরে। কিন্তু,সংজ্ঞানুসারে একটি মরুভূমিতে ১০ ইঞ্চির কম বৃষ্টি পরে।
কিন্তু এখানে পানি কিভাবে প্রদর্শিত হয়, তা নিয়ে বিভিন্ন জল্পনা-কল্পনা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, বৃষ্টির পানির উপস্থিতির কারনে পানি জমা থেকে তা বালুর উপর প্রদর্শিত হতে পারে।
পার্কটির পাশেই দুইটি নদী পারনাইবা ও প্রিগুইচাস প্রবাহিত হচ্ছে। আটলান্টিক সমুদ্রের স্রোত নদীদ্বয়কে পশ্চিম দিকে ধাক্কা দেন এবং মহাদেশ এর অভ্যন্তর থেকে বালি বহন করে। পললগুলো পার্কের ৪৪ মাইল যায়গা জুড়ে উপকূল বরাবর জমা হয়।
এখানে,শুকনো মৌসুমে বিশেষ করে অক্টোবর ও নভেম্বর এ উত্তর-পূর্ব দিকে উচ্চমাত্রায় বাতাস প্রবাহিত হয়। যা বালুগুলোকে ৩০ মাইল দূরে নিয়ে যায়। যতদুর চোখ যায় বালুগুলোকে ১৩০ ফুট উঁচুতে দেখা যায়। করডেইরো নিজেও লেনচয়েস মারানহেঞ্চেস এর বায়ুর গতি দেখেছেন। প্রতি বছর এখানে প্রায় ৬৫ ফুট উচু বালু বৃদ্ধি পায়। করডেইরো বলেছেন, “প্রতিটি ঋতুচক্রের সাথে সাথেই বালিয়াড়ি এলাকার চিত্র পরিবর্তন হয়”।
প্রতি বছর জানুয়ারী থেকে জুন এর মধ্যে বৃষ্টি হবার কারনে বালিয়াড়ি উপত্যকার মধ্যে উপহ্রদ এর সৃষ্টি হয়। এই অস্থায়ী উপহ্রদগুলোর মধ্যে কোন কোনটি ৩০০ ফুট লম্বা ও ১০ ফুট গভীর। জুলাই এর প্রথম দিকে বড় উপহ্রদগুলো রিও নিগ্রো নদীর সাথে মিলিত হয়। তখন বালিগুলো ঢেকে যায়। নদীর পানি মিলিত হবার কারনে সেখানে মাছও হ্রদে চলে আসে। সেখানে বালির ভিতর থাকা কীট-পতঙ্গ, শূককীট খেয়ে মাছগুলো আরও বড় হয়ে উঠে। এখানে তখন বিভিন্ন ধরনের মাছ পাওয়া যায়। তারপর আবার শুকনা মৌসুম শুরু হলে পানি কমে যেতে শুরু করে। তখন আবার পানির সাথে মাছগুলো চলে যায়। প্রতি মাসে প্রায় তিন ফুট করে পানি কমে যেতে শুরু হয়।
শুধু মাছ ও কীটপতঙ্গ এখানের বাসিন্দা নয়। মরুভূমির পাশে গ্রামে ৯০ জন পুরুষ, নারী ও শিশুরা রয়েছেন, যারা এই কাদার আসেপাশেই বসবাস করেন। তাই, সেখানকার ঋতু অনুযায়ী তারা তাদের কাজেরও পরিবর্তন করেন। শুষ্ক মৌসুমে তারা মুরগী, গরু, ছাগল ও বিভিন্ন গবাদি পশু লালন-পালন করেন এবং বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি উৎপাদন করেন। যখন বৃষ্টির সময় হয় এবং চাষাবাদে সমস্যা হয় তখন তারা মাছ চাষ করেন। তারা তখন মাছ বিক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ করেন
ফেডারেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোলবিদ এন্টোনিও করডেইরো বলেছেন, “বাস্তবিক, বিভিন্ন কারিগরি ও প্রযুক্তিগত গবেষণার মতে, লেনচয়েস সত্যিই একটি মরুভূমি নয়”। এক বছরে এই অঞ্চলে ৪৭ ইঞ্চি পরিমাণ বৃষ্টি পরে। কিন্তু,সংজ্ঞানুসারে একটি মরুভূমিতে ১০ ইঞ্চির কম বৃষ্টি পরে।
কিন্তু এখানে পানি কিভাবে প্রদর্শিত হয়, তা নিয়ে বিভিন্ন জল্পনা-কল্পনা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, বৃষ্টির পানির উপস্থিতির কারনে পানি জমা থেকে তা বালুর উপর প্রদর্শিত হতে পারে।
পার্কটির পাশেই দুইটি নদী পারনাইবা ও প্রিগুইচাস প্রবাহিত হচ্ছে। আটলান্টিক সমুদ্রের স্রোত নদীদ্বয়কে পশ্চিম দিকে ধাক্কা দেন এবং মহাদেশ এর অভ্যন্তর থেকে বালি বহন করে। পললগুলো পার্কের ৪৪ মাইল যায়গা জুড়ে উপকূল বরাবর জমা হয়।
এখানে,শুকনো মৌসুমে বিশেষ করে অক্টোবর ও নভেম্বর এ উত্তর-পূর্ব দিকে উচ্চমাত্রায় বাতাস প্রবাহিত হয়। যা বালুগুলোকে ৩০ মাইল দূরে নিয়ে যায়। যতদুর চোখ যায় বালুগুলোকে ১৩০ ফুট উঁচুতে দেখা যায়। করডেইরো নিজেও লেনচয়েস মারানহেঞ্চেস এর বায়ুর গতি দেখেছেন। প্রতি বছর এখানে প্রায় ৬৫ ফুট উচু বালু বৃদ্ধি পায়। করডেইরো বলেছেন, “প্রতিটি ঋতুচক্রের সাথে সাথেই বালিয়াড়ি এলাকার চিত্র পরিবর্তন হয়”।
প্রতি বছর জানুয়ারী থেকে জুন এর মধ্যে বৃষ্টি হবার কারনে বালিয়াড়ি উপত্যকার মধ্যে উপহ্রদ এর সৃষ্টি হয়। এই অস্থায়ী উপহ্রদগুলোর মধ্যে কোন কোনটি ৩০০ ফুট লম্বা ও ১০ ফুট গভীর। জুলাই এর প্রথম দিকে বড় উপহ্রদগুলো রিও নিগ্রো নদীর সাথে মিলিত হয়। তখন বালিগুলো ঢেকে যায়। নদীর পানি মিলিত হবার কারনে সেখানে মাছও হ্রদে চলে আসে। সেখানে বালির ভিতর থাকা কীট-পতঙ্গ, শূককীট খেয়ে মাছগুলো আরও বড় হয়ে উঠে। এখানে তখন বিভিন্ন ধরনের মাছ পাওয়া যায়। তারপর আবার শুকনা মৌসুম শুরু হলে পানি কমে যেতে শুরু করে। তখন আবার পানির সাথে মাছগুলো চলে যায়। প্রতি মাসে প্রায় তিন ফুট করে পানি কমে যেতে শুরু হয়।
শুধু মাছ ও কীটপতঙ্গ এখানের বাসিন্দা নয়। মরুভূমির পাশে গ্রামে ৯০ জন পুরুষ, নারী ও শিশুরা রয়েছেন, যারা এই কাদার আসেপাশেই বসবাস করেন। তাই, সেখানকার ঋতু অনুযায়ী তারা তাদের কাজেরও পরিবর্তন করেন। শুষ্ক মৌসুমে তারা মুরগী, গরু, ছাগল ও বিভিন্ন গবাদি পশু লালন-পালন করেন এবং বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি উৎপাদন করেন। যখন বৃষ্টির সময় হয় এবং চাষাবাদে সমস্যা হয় তখন তারা মাছ চাষ করেন। তারা তখন মাছ বিক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ করেন
মরুভূমির উপর পানি!
লেনচয়েস মারানহেঞ্চেস পার্কের ডাইরেক্টর কেরোলিনা আলভাইট বলেন, “এখানে পৃথিবীকে সমান্তরাল মনে হয়”। পার্কটি ৩০ বছর আগে তৈরি করা হয়েছে, যার আয়তন ৬০০ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এটি একটি বালিয়াড়ি এলাকা।
পার্কটির পাশেই বাহামা সমুদ্র প্রবাহিত হচ্ছে। পার্কের মাঝে বালুর উপর সামুদ্রিক পানি ভেসে ওঠে। শুধুমাত্র সাহারাতেই পানির এই মরীচিকা সত্যি সত্যিই অভিভূত হয়।
ফেডারেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোলবিদ এন্টোনিও করডেইরো বলেছেন, “বাস্তবিক, বিভিন্ন কারিগরি ও প্রযুক্তিগত গবেষণার মতে, লেনচয়েস সত্যিই একটি মরুভূমি নয়”। এক বছরে এই অঞ্চলে ৪৭ ইঞ্চি পরিমাণ বৃষ্টি পরে। কিন্তু,সংজ্ঞানুসারে একটি মরুভূমিতে ১০ ইঞ্চির কম বৃষ্টি পরে।
কিন্তু এখানে পানি কিভাবে প্রদর্শিত হয়, তা নিয়ে বিভিন্ন জল্পনা-কল্পনা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, বৃষ্টির পানির উপস্থিতির কারনে পানি জমা থেকে তা বালুর উপর প্রদর্শিত হতে পারে।
পার্কটির পাশেই দুইটি নদী পারনাইবা ও প্রিগুইচাস প্রবাহিত হচ্ছে। আটলান্টিক সমুদ্রের স্রোত নদীদ্বয়কে পশ্চিম দিকে ধাক্কা দেন এবং মহাদেশ এর অভ্যন্তর থেকে বালি বহন করে। পললগুলো পার্কের ৪৪ মাইল যায়গা জুড়ে উপকূল বরাবর জমা হয়।
এখানে,শুকনো মৌসুমে বিশেষ করে অক্টোবর ও নভেম্বর এ উত্তর-পূর্ব দিকে উচ্চমাত্রায় বাতাস প্রবাহিত হয়। যা বালুগুলোকে ৩০ মাইল দূরে নিয়ে যায়। যতদুর চোখ যায় বালুগুলোকে ১৩০ ফুট উঁচুতে দেখা যায়। করডেইরো নিজেও লেনচয়েস মারানহেঞ্চেস এর বায়ুর গতি দেখেছেন। প্রতি বছর এখানে প্রায় ৬৫ ফুট উচু বালু বৃদ্ধি পায়। করডেইরো বলেছেন, “প্রতিটি ঋতুচক্রের সাথে সাথেই বালিয়াড়ি এলাকার চিত্র পরিবর্তন হয়”।
প্রতি বছর জানুয়ারী থেকে জুন এর মধ্যে বৃষ্টি হবার কারনে বালিয়াড়ি উপত্যকার মধ্যে উপহ্রদ এর সৃষ্টি হয়। এই অস্থায়ী উপহ্রদগুলোর মধ্যে কোন কোনটি ৩০০ ফুট লম্বা ও ১০ ফুট গভীর। জুলাই এর প্রথম দিকে বড় উপহ্রদগুলো রিও নিগ্রো নদীর সাথে মিলিত হয়। তখন বালিগুলো ঢেকে যায়। নদীর পানি মিলিত হবার কারনে সেখানে মাছও হ্রদে চলে আসে। সেখানে বালির ভিতর থাকা কীট-পতঙ্গ, শূককীট খেয়ে মাছগুলো আরও বড় হয়ে উঠে। এখানে তখন বিভিন্ন ধরনের মাছ পাওয়া যায়। তারপর আবার শুকনা মৌসুম শুরু হলে পানি কমে যেতে শুরু করে। তখন আবার পানির সাথে মাছগুলো চলে যায়। প্রতি মাসে প্রায় তিন ফুট করে পানি কমে যেতে শুরু হয়।
শুধু মাছ ও কীটপতঙ্গ এখানের বাসিন্দা নয়। মরুভূমির পাশে গ্রামে ৯০ জন পুরুষ, নারী ও শিশুরা রয়েছেন, যারা এই কাদার আসেপাশেই বসবাস করেন। তাই, সেখানকার ঋতু অনুযায়ী তারা তাদের কাজেরও পরিবর্তন করেন। শুষ্ক মৌসুমে তারা মুরগী, গরু, ছাগল ও বিভিন্ন গবাদি পশু লালন-পালন করেন এবং বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি উৎপাদন করেন। যখন বৃষ্টির সময় হয় এবং চাষাবাদে সমস্যা হয় তখন তারা মাছ চাষ করেন। তারা তখন মাছ বিক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ করেন
- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/28980/index.html#sthash.I2zIMtxY.dpufফেডারেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোলবিদ এন্টোনিও করডেইরো বলেছেন, “বাস্তবিক, বিভিন্ন কারিগরি ও প্রযুক্তিগত গবেষণার মতে, লেনচয়েস সত্যিই একটি মরুভূমি নয়”। এক বছরে এই অঞ্চলে ৪৭ ইঞ্চি পরিমাণ বৃষ্টি পরে। কিন্তু,সংজ্ঞানুসারে একটি মরুভূমিতে ১০ ইঞ্চির কম বৃষ্টি পরে।
কিন্তু এখানে পানি কিভাবে প্রদর্শিত হয়, তা নিয়ে বিভিন্ন জল্পনা-কল্পনা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, বৃষ্টির পানির উপস্থিতির কারনে পানি জমা থেকে তা বালুর উপর প্রদর্শিত হতে পারে।
পার্কটির পাশেই দুইটি নদী পারনাইবা ও প্রিগুইচাস প্রবাহিত হচ্ছে। আটলান্টিক সমুদ্রের স্রোত নদীদ্বয়কে পশ্চিম দিকে ধাক্কা দেন এবং মহাদেশ এর অভ্যন্তর থেকে বালি বহন করে। পললগুলো পার্কের ৪৪ মাইল যায়গা জুড়ে উপকূল বরাবর জমা হয়।
এখানে,শুকনো মৌসুমে বিশেষ করে অক্টোবর ও নভেম্বর এ উত্তর-পূর্ব দিকে উচ্চমাত্রায় বাতাস প্রবাহিত হয়। যা বালুগুলোকে ৩০ মাইল দূরে নিয়ে যায়। যতদুর চোখ যায় বালুগুলোকে ১৩০ ফুট উঁচুতে দেখা যায়। করডেইরো নিজেও লেনচয়েস মারানহেঞ্চেস এর বায়ুর গতি দেখেছেন। প্রতি বছর এখানে প্রায় ৬৫ ফুট উচু বালু বৃদ্ধি পায়। করডেইরো বলেছেন, “প্রতিটি ঋতুচক্রের সাথে সাথেই বালিয়াড়ি এলাকার চিত্র পরিবর্তন হয়”।
প্রতি বছর জানুয়ারী থেকে জুন এর মধ্যে বৃষ্টি হবার কারনে বালিয়াড়ি উপত্যকার মধ্যে উপহ্রদ এর সৃষ্টি হয়। এই অস্থায়ী উপহ্রদগুলোর মধ্যে কোন কোনটি ৩০০ ফুট লম্বা ও ১০ ফুট গভীর। জুলাই এর প্রথম দিকে বড় উপহ্রদগুলো রিও নিগ্রো নদীর সাথে মিলিত হয়। তখন বালিগুলো ঢেকে যায়। নদীর পানি মিলিত হবার কারনে সেখানে মাছও হ্রদে চলে আসে। সেখানে বালির ভিতর থাকা কীট-পতঙ্গ, শূককীট খেয়ে মাছগুলো আরও বড় হয়ে উঠে। এখানে তখন বিভিন্ন ধরনের মাছ পাওয়া যায়। তারপর আবার শুকনা মৌসুম শুরু হলে পানি কমে যেতে শুরু করে। তখন আবার পানির সাথে মাছগুলো চলে যায়। প্রতি মাসে প্রায় তিন ফুট করে পানি কমে যেতে শুরু হয়।
শুধু মাছ ও কীটপতঙ্গ এখানের বাসিন্দা নয়। মরুভূমির পাশে গ্রামে ৯০ জন পুরুষ, নারী ও শিশুরা রয়েছেন, যারা এই কাদার আসেপাশেই বসবাস করেন। তাই, সেখানকার ঋতু অনুযায়ী তারা তাদের কাজেরও পরিবর্তন করেন। শুষ্ক মৌসুমে তারা মুরগী, গরু, ছাগল ও বিভিন্ন গবাদি পশু লালন-পালন করেন এবং বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি উৎপাদন করেন। যখন বৃষ্টির সময় হয় এবং চাষাবাদে সমস্যা হয় তখন তারা মাছ চাষ করেন। তারা তখন মাছ বিক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ করেন
মরুভূমির উপর পানি!
লেনচয়েস মারানহেঞ্চেস পার্কের ডাইরেক্টর কেরোলিনা আলভাইট বলেন, “এখানে পৃথিবীকে সমান্তরাল মনে হয়”। পার্কটি ৩০ বছর আগে তৈরি করা হয়েছে, যার আয়তন ৬০০ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এটি একটি বালিয়াড়ি এলাকা।
পার্কটির পাশেই বাহামা সমুদ্র প্রবাহিত হচ্ছে। পার্কের মাঝে বালুর উপর সামুদ্রিক পানি ভেসে ওঠে। শুধুমাত্র সাহারাতেই পানির এই মরীচিকা সত্যি সত্যিই অভিভূত হয়।
ফেডারেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোলবিদ এন্টোনিও করডেইরো বলেছেন, “বাস্তবিক, বিভিন্ন কারিগরি ও প্রযুক্তিগত গবেষণার মতে, লেনচয়েস সত্যিই একটি মরুভূমি নয়”। এক বছরে এই অঞ্চলে ৪৭ ইঞ্চি পরিমাণ বৃষ্টি পরে। কিন্তু,সংজ্ঞানুসারে একটি মরুভূমিতে ১০ ইঞ্চির কম বৃষ্টি পরে।
কিন্তু এখানে পানি কিভাবে প্রদর্শিত হয়, তা নিয়ে বিভিন্ন জল্পনা-কল্পনা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, বৃষ্টির পানির উপস্থিতির কারনে পানি জমা থেকে তা বালুর উপর প্রদর্শিত হতে পারে।
পার্কটির পাশেই দুইটি নদী পারনাইবা ও প্রিগুইচাস প্রবাহিত হচ্ছে। আটলান্টিক সমুদ্রের স্রোত নদীদ্বয়কে পশ্চিম দিকে ধাক্কা দেন এবং মহাদেশ এর অভ্যন্তর থেকে বালি বহন করে। পললগুলো পার্কের ৪৪ মাইল যায়গা জুড়ে উপকূল বরাবর জমা হয়।
এখানে,শুকনো মৌসুমে বিশেষ করে অক্টোবর ও নভেম্বর এ উত্তর-পূর্ব দিকে উচ্চমাত্রায় বাতাস প্রবাহিত হয়। যা বালুগুলোকে ৩০ মাইল দূরে নিয়ে যায়। যতদুর চোখ যায় বালুগুলোকে ১৩০ ফুট উঁচুতে দেখা যায়। করডেইরো নিজেও লেনচয়েস মারানহেঞ্চেস এর বায়ুর গতি দেখেছেন। প্রতি বছর এখানে প্রায় ৬৫ ফুট উচু বালু বৃদ্ধি পায়। করডেইরো বলেছেন, “প্রতিটি ঋতুচক্রের সাথে সাথেই বালিয়াড়ি এলাকার চিত্র পরিবর্তন হয়”।
প্রতি বছর জানুয়ারী থেকে জুন এর মধ্যে বৃষ্টি হবার কারনে বালিয়াড়ি উপত্যকার মধ্যে উপহ্রদ এর সৃষ্টি হয়। এই অস্থায়ী উপহ্রদগুলোর মধ্যে কোন কোনটি ৩০০ ফুট লম্বা ও ১০ ফুট গভীর। জুলাই এর প্রথম দিকে বড় উপহ্রদগুলো রিও নিগ্রো নদীর সাথে মিলিত হয়। তখন বালিগুলো ঢেকে যায়। নদীর পানি মিলিত হবার কারনে সেখানে মাছও হ্রদে চলে আসে। সেখানে বালির ভিতর থাকা কীট-পতঙ্গ, শূককীট খেয়ে মাছগুলো আরও বড় হয়ে উঠে। এখানে তখন বিভিন্ন ধরনের মাছ পাওয়া যায়। তারপর আবার শুকনা মৌসুম শুরু হলে পানি কমে যেতে শুরু করে। তখন আবার পানির সাথে মাছগুলো চলে যায়। প্রতি মাসে প্রায় তিন ফুট করে পানি কমে যেতে শুরু হয়।
শুধু মাছ ও কীটপতঙ্গ এখানের বাসিন্দা নয়। মরুভূমির পাশে গ্রামে ৯০ জন পুরুষ, নারী ও শিশুরা রয়েছেন, যারা এই কাদার আসেপাশেই বসবাস করেন। তাই, সেখানকার ঋতু অনুযায়ী তারা তাদের কাজেরও পরিবর্তন করেন। শুষ্ক মৌসুমে তারা মুরগী, গরু, ছাগল ও বিভিন্ন গবাদি পশু লালন-পালন করেন এবং বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি উৎপাদন করেন। যখন বৃষ্টির সময় হয় এবং চাষাবাদে সমস্যা হয় তখন তারা মাছ চাষ করেন। তারা তখন মাছ বিক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ করেন
- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/28980/index.html#sthash.I2zIMtxY.dpufফেডারেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোলবিদ এন্টোনিও করডেইরো বলেছেন, “বাস্তবিক, বিভিন্ন কারিগরি ও প্রযুক্তিগত গবেষণার মতে, লেনচয়েস সত্যিই একটি মরুভূমি নয়”। এক বছরে এই অঞ্চলে ৪৭ ইঞ্চি পরিমাণ বৃষ্টি পরে। কিন্তু,সংজ্ঞানুসারে একটি মরুভূমিতে ১০ ইঞ্চির কম বৃষ্টি পরে।
কিন্তু এখানে পানি কিভাবে প্রদর্শিত হয়, তা নিয়ে বিভিন্ন জল্পনা-কল্পনা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, বৃষ্টির পানির উপস্থিতির কারনে পানি জমা থেকে তা বালুর উপর প্রদর্শিত হতে পারে।
পার্কটির পাশেই দুইটি নদী পারনাইবা ও প্রিগুইচাস প্রবাহিত হচ্ছে। আটলান্টিক সমুদ্রের স্রোত নদীদ্বয়কে পশ্চিম দিকে ধাক্কা দেন এবং মহাদেশ এর অভ্যন্তর থেকে বালি বহন করে। পললগুলো পার্কের ৪৪ মাইল যায়গা জুড়ে উপকূল বরাবর জমা হয়।
এখানে,শুকনো মৌসুমে বিশেষ করে অক্টোবর ও নভেম্বর এ উত্তর-পূর্ব দিকে উচ্চমাত্রায় বাতাস প্রবাহিত হয়। যা বালুগুলোকে ৩০ মাইল দূরে নিয়ে যায়। যতদুর চোখ যায় বালুগুলোকে ১৩০ ফুট উঁচুতে দেখা যায়। করডেইরো নিজেও লেনচয়েস মারানহেঞ্চেস এর বায়ুর গতি দেখেছেন। প্রতি বছর এখানে প্রায় ৬৫ ফুট উচু বালু বৃদ্ধি পায়। করডেইরো বলেছেন, “প্রতিটি ঋতুচক্রের সাথে সাথেই বালিয়াড়ি এলাকার চিত্র পরিবর্তন হয়”।
প্রতি বছর জানুয়ারী থেকে জুন এর মধ্যে বৃষ্টি হবার কারনে বালিয়াড়ি উপত্যকার মধ্যে উপহ্রদ এর সৃষ্টি হয়। এই অস্থায়ী উপহ্রদগুলোর মধ্যে কোন কোনটি ৩০০ ফুট লম্বা ও ১০ ফুট গভীর। জুলাই এর প্রথম দিকে বড় উপহ্রদগুলো রিও নিগ্রো নদীর সাথে মিলিত হয়। তখন বালিগুলো ঢেকে যায়। নদীর পানি মিলিত হবার কারনে সেখানে মাছও হ্রদে চলে আসে। সেখানে বালির ভিতর থাকা কীট-পতঙ্গ, শূককীট খেয়ে মাছগুলো আরও বড় হয়ে উঠে। এখানে তখন বিভিন্ন ধরনের মাছ পাওয়া যায়। তারপর আবার শুকনা মৌসুম শুরু হলে পানি কমে যেতে শুরু করে। তখন আবার পানির সাথে মাছগুলো চলে যায়। প্রতি মাসে প্রায় তিন ফুট করে পানি কমে যেতে শুরু হয়।
শুধু মাছ ও কীটপতঙ্গ এখানের বাসিন্দা নয়। মরুভূমির পাশে গ্রামে ৯০ জন পুরুষ, নারী ও শিশুরা রয়েছেন, যারা এই কাদার আসেপাশেই বসবাস করেন। তাই, সেখানকার ঋতু অনুযায়ী তারা তাদের কাজেরও পরিবর্তন করেন। শুষ্ক মৌসুমে তারা মুরগী, গরু, ছাগল ও বিভিন্ন গবাদি পশু লালন-পালন করেন এবং বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি উৎপাদন করেন। যখন বৃষ্টির সময় হয় এবং চাষাবাদে সমস্যা হয় তখন তারা মাছ চাষ করেন। তারা তখন মাছ বিক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ করেন
Post a Comment
Facebook Disqus