বর্তমান বার্তা ডট কম / ২৯ এপ্রিল ২০১৫ /
শিলিগুড়িকে ভারতের উত্তর-পূর্বে গেটওয়ে বলা হয়। শিলিগুড়ি দক্ষিণ হিমালয়ের তরাই অঞ্চলে, মহানন্দা নদীর পশ্চিমে অবস্থিত। ১৯৪৭ সালে পাক-ভারত বিভাগের সময় এবং ১৯৭১ সালে আমাদের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এখানে প্রচুর শরনার্থী আশ্রয় নিয়েছিলেন। শিলিগুড়িতে আছে হংকং-বাজার, অল্প মূল্যে চীনা সামগ্রী ক্রয় করার জন্য একটি মুখ্য বাজার। শিলিগুড়ি ব্যবসার জন্য একটি লাভজনক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে ধীরে ধীরে... বাণিজ্য ও পরিবহন এখানকার প্রধানতম অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। প্রচুর পর্যটকও আসেন শীতে, শহরটি ভারতের বাকী অংশের সাথে উত্তর-পূর্ব ভারতের কৌশলগত যোগাযোগ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। দক্ষিণের সমভূমি ও উত্তরের পাহাড়ি অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি পরিবহন কেন্দ্র হিসেবেও শিলিগুড়ি ভূমিকা রাখে। এদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা দক্ষিণে জলপাইগুড়ি শহর থেকে উত্তরে দার্জিলিং শহর পর্যন্ত বিস্তৃত।
শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত প্রাচীন বাষ্পীয় ইঞ্জিনে টানা একটি খেলনা ট্রেনগাড়ি বা টয় ট্রেন পাহাড় দিয়ে খাড়া পথ ধরে চলাচল করে এবং পর্যটকদের বহু প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখার সুযোগ করে দেয়...
গতকাল সকালে শান্তিনিকেতন থেকে শিলিগুড়ি এসে আজ রাতের ট্রেনেই ফিরতে হচ্ছে কলকাতা। একটা জায়গাকে ভালোভাবে বুঝতে হলে কিছুদিন না থাকলে বুঝা যায় না তার আসল প্রকৃতি... পৃথিবীর প্রতিটি স্থানেরই আছে একান্ত নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য, সাধারণ চোখে তা ধরা পড়ে না; কিছুদিন থাকলে, হরেক রকম মানুষের সাথে মিশলে আস্তে আস্তে বুঝা যায়, অনুধাবন করা যায় সেই অঞ্চলের মাটি ও মানুষের হৃদ- স্পন্দন...
সেই কবে, কাঁচা বয়সে রাত জেগে সমরেশ মজুমদারের উত্তরাধিকার, কালবেলা, কালপুরুষ পড়তে পড়তে অতি জাগতিক এক রোমান্স অনুভব করতাম... এইক্ষণে এখানে, পথে পথে হাঁটি... আমি কেমন যেন এক ধরণের ঘোরের ভিতর চলে যাই...
সিকিম, দার্জিলিং, কালিম্পং, মংপু, নকশাল-বাড়ি যাবার ইচ্ছে ছিল... যাওয়া হবে না, ভূমিকম্পের ভয়ে সবাই নেমে আসছে পাহাড় থেকে, দৌড়াচ্ছে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে... আজ রাতেই আমি কলকাতার ট্রেনে চাপছি...
২৯ এপ্রিল ২০১৫ । শিলিগুড়ি, দার্জিলিং
গতকাল সকালে শান্তিনিকেতন থেকে শিলিগুড়ি এসে আজ রাতের ট্রেনেই ফিরতে হচ্ছে কলকাতা। একটা জায়গাকে ভালোভাবে বুঝতে হলে কিছুদিন না থাকলে বুঝা যায় না তার আসল প্রকৃতি... পৃথিবীর প্রতিটি স্থানেরই আছে একান্ত নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য, সাধারণ চোখে তা ধরা পড়ে না; কিছুদিন থাকলে, হরেক রকম মানুষের সাথে মিশলে আস্তে আস্তে বুঝা যায়, অনুধাবন করা যায় সেই অঞ্চলের মাটি ও মানুষের হৃদ- স্পন্দন...
সেই কবে, কাঁচা বয়সে রাত জেগে সমরেশ মজুমদারের উত্তরাধিকার, কালবেলা, কালপুরুষ পড়তে পড়তে অতি জাগতিক এক রোমান্স অনুভব করতাম... এইক্ষণে এখানে, পথে পথে হাঁটি... আমি কেমন যেন এক ধরণের ঘোরের ভিতর চলে যাই...
সিকিম, দার্জিলিং, কালিম্পং, মংপু, নকশাল-বাড়ি যাবার ইচ্ছে ছিল... যাওয়া হবে না, ভূমিকম্পের ভয়ে সবাই নেমে আসছে পাহাড় থেকে, দৌড়াচ্ছে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে... আজ রাতেই আমি কলকাতার ট্রেনে চাপছি...
২৯ এপ্রিল ২০১৫ । শিলিগুড়ি, দার্জিলিং

Post a Comment
Facebook Disqus