
বর্তমান বার্তা ডট কম / ০৩ এপ্রিল ২০১৫ / বর্তমানে সামাজিক ব্যাধির ন্যায় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ইলেকট্রনিক সম্প্রচার মাধ্যমের কল্যাণে আমরা প্রায় প্রতিদিনই পৃথিবীর কোথাও না কোথাও আত্মহত্যার চেষ্টা কিংবা আত্মহননের খবর স্যাটেলাইট চ্যানেল বা সংবাদপত্রের পাতা উল্টালে দেখতে পাই। সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে শ্রীলংকায় আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। পুলিশের হিসেবে এ বছরের প্রথম চার মাসে সারা দেশে তিন হাজারেরও বেশি মানুষ নিজেকে হত্যা করেছে। এদের মধ্যে তরুণ ও নারীর সংখ্যাই বেশি। যৌতুক, নির্যাতন, বখাটের অত্যাচার, আর্থিক টানাপড়েন বা পারিবারিক কলহ আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়।
আত্মহত্যা কি ? : আত্মহত্যা হলো নিজে নিজেকে হত্যা করা বা ধ্বংস করা । অন্য কথায়- নিজ আত্মাকে চরম যন্ত্রণা ও কষ্ট দেয়া। যার মাধ্যমে নিজের জীবনের সকল কর্মকা-ের পরিসমাপ্তি ঘটে।
ইসলামের দৃষ্টিতে আত্মহত্যার পরিণাম : ইসলামে আত্মহত্যা হলো মহাপাপ। আল্লাহ মানুষকে মরণশীল করে সৃষ্টি করেছেন। তিনিই মৃত্যু ঘটান। কিন্তু আত্মহত্যার ক্ষেত্রে বান্দা স্বাভাবিক মৃত্যুকে উপেক্ষা করে মৃত্যুকে নিজের হাতে নিয়ে নিজেই নিজেকে হত্যা করে ফেলে। এ কারণে এটি একটি গর্হিত কাজ। আল্লাহর দেয়া প্রাণ ও আয়ুষ্কাল একটি বিরাট নিয়ামত (পুরস্কার) এবং পরকালের জন্য ভালো কাজ করার সীমিত অবকাশ। একে যারা স্বহস্তে ধ্বংস করে তাদের ওপর স্রষ্টার ক্রোধ আপতিত হওয়া অবশ্যম্ভাবী। তাই আল্লাহ তা’আলা তা মোটেই পছন্দ করেন না। এ কারণে যদিও শরিয়তে আত্মহত্যাকারীর জানাযা হয়, কিন্তু কোন বড় আলেম তা পড়ান না কেননা, এই ধরনের জানাযা রাসূল (সা.) নিজে পড়াননি। নগন্য কোন ব্যক্তি দ্বারা তা পড়ানো হয়। মহান রাব্বুল আলামীন পবিত্র কোরআনে এ প্রসঙ্গে ঘোষণা দেন-
“তোমরা নিজেকে হত্যা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর দয়ালু। আর যে বাড়াবাড়ি ও জুলুমের মাধ্যমে এ কাজ করবে, তাকে আমি আগুনে পোড়াবো। আর এ কাজ করা আল্লাহর পক্ষে সহজতর।” (সূরা নিসা-২৯-৩০)
উল্লেখিত আয়াতে আল্লাহ তাআলা আত্মহননকে নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি ঘৃন্য এ কাজের পরিণামেরও চূড়ান্ত দিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
আত্মহনন কেবল সকল নির্যাতন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে একমাত্র সমাধান হতে পারে না। কারণ মানব জীবন অতি মূল্যবান। স্রষ্টা যে উদ্দেশ্যে মানবজাতি বিস্তারের মাধ্যমে পৃথিবীকে সৃজন করেছেন, সে উদ্দেশ্যের ফলাফল হয় বিধানের পরিপন্থী। যার পরিণতি হয় অত্যন্ত ভয়াবহ। এজন্য মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) উম্মাতকে হুঁশিয়ার করে বলেছেন- হযরত জুনদুব ইবন আবদুল্লাহ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূলল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “তোমাদের পূর্বেকার এক লোক আহত হয়ে সে ব্যথা সহ্য করতে পারেনি। তাই সে একখানা চাকু দিয়ে নিজের হাত নিজেই কেটে ফেলল। তারপর রক্তক্ষরণে সে মারা যায়। আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা নিজেকে হত্যা করার ব্যাপারে বড় তাড়াহুড়া করল। তাই আমি তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিলাম” (বুখারী)।
এ প্রসঙ্গে রাসূল (সা.) বলেন- “যে ফাঁসি লাগিয়ে বা গলা টিপে আত্মহত্যা করে, জাহান্নামে সে নিজেই নিজেকে অনুরূপভাবে শাস্তি দিবে। আর যে ব্যক্তি বর্শা ইত্যাদির আঘাত দ্বারা আত্মহত্যা করে জাহান্নামেও সে সেভাবে নিজেকে শাস্তি দিবে।” (বুখারী, হযরত আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত)
আত্মহত্যা সম্পর্কে রাসূল (সা.) আরো বলেন- “যে ব্যক্তি বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে সেও জাহান্নামের মধ্যে সর্বদা ঐভাবে নিজ হাতে বিষপান করতে থাকবে।”
অন্য হাদিসে নবী (সা.) বলেন, “যে ব্যক্তি কোন ধারালো অস্ত্র দ্বারা আত্মহত্যা করে তাকে সে অস্ত্র দিয়েই দোযখের মধ্যে শাস্তি দেয়া হবে।” (বুখারী)
আত্মহত্যা কি ? : আত্মহত্যা হলো নিজে নিজেকে হত্যা করা বা ধ্বংস করা । অন্য কথায়- নিজ আত্মাকে চরম যন্ত্রণা ও কষ্ট দেয়া। যার মাধ্যমে নিজের জীবনের সকল কর্মকা-ের পরিসমাপ্তি ঘটে।
ইসলামের দৃষ্টিতে আত্মহত্যার পরিণাম : ইসলামে আত্মহত্যা হলো মহাপাপ। আল্লাহ মানুষকে মরণশীল করে সৃষ্টি করেছেন। তিনিই মৃত্যু ঘটান। কিন্তু আত্মহত্যার ক্ষেত্রে বান্দা স্বাভাবিক মৃত্যুকে উপেক্ষা করে মৃত্যুকে নিজের হাতে নিয়ে নিজেই নিজেকে হত্যা করে ফেলে। এ কারণে এটি একটি গর্হিত কাজ। আল্লাহর দেয়া প্রাণ ও আয়ুষ্কাল একটি বিরাট নিয়ামত (পুরস্কার) এবং পরকালের জন্য ভালো কাজ করার সীমিত অবকাশ। একে যারা স্বহস্তে ধ্বংস করে তাদের ওপর স্রষ্টার ক্রোধ আপতিত হওয়া অবশ্যম্ভাবী। তাই আল্লাহ তা’আলা তা মোটেই পছন্দ করেন না। এ কারণে যদিও শরিয়তে আত্মহত্যাকারীর জানাযা হয়, কিন্তু কোন বড় আলেম তা পড়ান না কেননা, এই ধরনের জানাযা রাসূল (সা.) নিজে পড়াননি। নগন্য কোন ব্যক্তি দ্বারা তা পড়ানো হয়। মহান রাব্বুল আলামীন পবিত্র কোরআনে এ প্রসঙ্গে ঘোষণা দেন-
“তোমরা নিজেকে হত্যা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর দয়ালু। আর যে বাড়াবাড়ি ও জুলুমের মাধ্যমে এ কাজ করবে, তাকে আমি আগুনে পোড়াবো। আর এ কাজ করা আল্লাহর পক্ষে সহজতর।” (সূরা নিসা-২৯-৩০)
উল্লেখিত আয়াতে আল্লাহ তাআলা আত্মহননকে নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি ঘৃন্য এ কাজের পরিণামেরও চূড়ান্ত দিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
আত্মহনন কেবল সকল নির্যাতন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে একমাত্র সমাধান হতে পারে না। কারণ মানব জীবন অতি মূল্যবান। স্রষ্টা যে উদ্দেশ্যে মানবজাতি বিস্তারের মাধ্যমে পৃথিবীকে সৃজন করেছেন, সে উদ্দেশ্যের ফলাফল হয় বিধানের পরিপন্থী। যার পরিণতি হয় অত্যন্ত ভয়াবহ। এজন্য মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) উম্মাতকে হুঁশিয়ার করে বলেছেন- হযরত জুনদুব ইবন আবদুল্লাহ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূলল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “তোমাদের পূর্বেকার এক লোক আহত হয়ে সে ব্যথা সহ্য করতে পারেনি। তাই সে একখানা চাকু দিয়ে নিজের হাত নিজেই কেটে ফেলল। তারপর রক্তক্ষরণে সে মারা যায়। আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা নিজেকে হত্যা করার ব্যাপারে বড় তাড়াহুড়া করল। তাই আমি তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিলাম” (বুখারী)।
এ প্রসঙ্গে রাসূল (সা.) বলেন- “যে ফাঁসি লাগিয়ে বা গলা টিপে আত্মহত্যা করে, জাহান্নামে সে নিজেই নিজেকে অনুরূপভাবে শাস্তি দিবে। আর যে ব্যক্তি বর্শা ইত্যাদির আঘাত দ্বারা আত্মহত্যা করে জাহান্নামেও সে সেভাবে নিজেকে শাস্তি দিবে।” (বুখারী, হযরত আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত)
আত্মহত্যা সম্পর্কে রাসূল (সা.) আরো বলেন- “যে ব্যক্তি বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে সেও জাহান্নামের মধ্যে সর্বদা ঐভাবে নিজ হাতে বিষপান করতে থাকবে।”
অন্য হাদিসে নবী (সা.) বলেন, “যে ব্যক্তি কোন ধারালো অস্ত্র দ্বারা আত্মহত্যা করে তাকে সে অস্ত্র দিয়েই দোযখের মধ্যে শাস্তি দেয়া হবে।” (বুখারী)
Post a Comment
Facebook Disqus