লেখক মোঃ মাহফুজুর রহমান মাহফুজ /বর্তমান বার্তা ডট কম  /  ১২ মে ২০১৫ / মানুষ শ্রম এবং মেধা দিয়ে পৃথিবীতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তোলে। রাজনীতি, অর্থণীতি, সমাজনিতী , শিল্প সাহিত্য সহ এক একটি বিষয়ের উপর মানুষ যোগ্যতার ছাপ রেখে নিজের নামকে প্রতিষ্ঠা করেছেন সবার মাঝে। কেউ কেউ নিজ এলাকা, দেশ ছাপিয়েও হয়ে ওঠেন বিশ্ব সেরা। তেমনি রাজনিতীতে আফ্রিকা মহাদেশের অভিসংবাদিত নেতা ন্যালসন মেন্ডেলা, এ উপমহাদেশের শুভাসচন্দ্র বসু, আমাদের দেশের জননেতা মাওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান আরও অনেক মহান নেতা তাদের নিজ নিজ যোগ্যতার ছাপ রেখে গেছেন। কালের পরিক্রমায় সোনারগাঁয়ে নিজ যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন (নারায়ণগঞ্জ-৩) সোনারগাঁ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জননেতা লিয়াকত হোসেন খোকা।
আমাদের জানামতে মাননীয় এমপি লয়িাকত হোসনে খোকার জন্ম নারায়ণগঞ্জ সদরে। তিনি ছোট বেলা থেকেই নিজেকে শক্ত মনের অধিকারী করে তুলছেনে। তার কারণ, তিনি যখন সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ঠিক তখনই তার পিতাকে চিরতরে হারান এবং তিনি যখন অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত তখন তার সব চেয়ে প্রিয় মানুষ যার আচল ঘেরা থাকে প্রচন্ড রকম আদর, ভালবাসা, স্নেহে মায়া যে ভালবাসা একজন সন্তান হিসেবে পৃথিবীর অন্য কারো কাছ থেকে আশা করা যায় না, সেই মা ” মা শব্দটি একজন সন্তান মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ভুলতে পারে না, সে মাকওে তিনি হারালনে বাবা মারা যাওয়ার একটি বছররে মধ্যেই । এরপর বাবা ও মা হারানো ব্যাথা বুকে নিয়ে নিজেকে জীবন যুদ্ধে একজন যোদ্ধা হিসেবেে ঘোষনা করলেন। এরপর পড়াশুনা ও তার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং বিভিন্নি বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নিজের দুঃখকে ভুলে গিয়ে নিজেকে তৈরি করতে লাগলেন একজন বাস্তববাদী মানুষ হিসেবে।যে বাস্তবতা তিনি সবসময় মনের মাঝে লালন পালন করেন সেটার একটি হল মানুষরে জন্য কিছু একটা করা। সেই জল্পনা কল্পনা থেকেই তিনি জরিয়ে পরেন এদশেরে রাজনীতিতে, তার রাজনীতি নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ করার মধ্যে দিয়ে শুরু হয়। রাজনীতি করার ফাঁকে ফাঁকে লেখালেখির অভ্যাসও ছিল তাঁর। তিনি একটা সময় সাংবাদকিতাও করেছেন। রাজনীতিগত কারণে হঠাৎ তিনি চলে আসনে নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির একটি অঙ্গ সংগঠনের। সেখানে গিয়ে তিনি জেলা ভিত্তিক একটি বড় পদও লাভ করনে এবং সেই সংগঠনে তিনি জড়িত হয়ে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত জননেতা আলহাজ্ব নাসিম ওসমানরে মতো জনপ্রিয় নেতার সান্নিধ্য লাভ করেন । এরপর থেকেই তিনি রাজনৈতিক সুনাম র্অজনের মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা বাসীর মাঝে আরো বশেী পরিচিতি লাভ করনে। একটা সময় তিনি নারায়ণগঞ্জ জলো জাতীয় পার্টর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়ীত্ব পালন করেন । এরপরই তার রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্গাই জাতীয় রাজনীতিতে টেনে নিয়ে যায়। তিনি প্রতিনিয়ত নামাজ পরে আল্লাহ তায়ালার কাছে একটাই দোয়াই চাইতেন আমি যেন এই দেশের মানুষের জন্য কিছু একটা করতে পারি । তিনি মনে করেন তার রাজনৈতিক  কর্মকান্ডের কথা মানুষ কিভাবে মনে রাখবে । তাই তিনি  মনে করেন  মানুষের জন্য ভাল কিছু করার মধ্য দিয়েই আমি  লিয়াকত হোসেন খোকা  বেঁচে থাকব এমনই এক ইচ্ছা থেকে সারাদেশের সংগঠন দাড় করার জন্য কেন্দ্রীয় জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি হিসেবে যুব সংহতির কমিটিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ঘুরে বেড়িয়েছেন এদেশের ৬৪ টি জেলায়। দারুণ এক অভিজ্ঞতা নেয়ার পরে তাকে আবার দায়িত্ব দেওয়া হল কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক পার্টির সভাপতি হিসেবে। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব পদটির তিনি লাভ করেন । এরই মধ্যে দেশে যখন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ঠিক তখনই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি নির্বাচন র্বজনের মধ্য দিয়ে এদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চায়। ঠিক তখনই আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টর সমন্বয়ে গঠিত মহা জোট সরকার সিদ্ধাত নিলেন মহাজোটঁ সরকাররে প্রধান শরিক দল জাতীয় র্পাটই হবে প্রধান বিরোধীদল। এরপরই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধান বিরোধীদল হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন । এরই মধ্যে কিছুদিন পর হঠাৎ পার্টির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ অসুস্থ্য হয়ে পরেন । তাই দেশের রাষ্ট্রীয় র্স্বাথে আলহাজ্ব হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ তার সহর্ধমীনি বেগম রওশন এরশাদকে বিরোধী দলের সভাপতি হিসেবে নিয়োজিত করেন । তাই বেগম রওশন এরশাদরে সঙ্গে র্বতমান মহাজোট সরকাররে প্রধান তিন তিন বারের সফল প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা  দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার প্রয়াশ ব্যক্ত করেন। আর এই দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নারায়ণগঞ্জ-৩ সোনারগাঁ আসনরে বিরোধী দলের র্প্রাথী হিসেবে আমাদের নেতা জননেতা লিয়াকত হোসেন খোকা’কে মনোনীত করা হয়। যা  হওয়ার পর তাঁর আসন ২০৬, নারায়গঞ্জ-৩(সোনারগাঁ)। এখানে কোন প্রতদিন্ধি না থাকায়  জননেতা লিয়াকত হোসেন খোকা’কে বিনা প্রতিদন্ধিতায় আল্লাহর অশষে রহমতে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। এই সংসদ সদস্য  হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে আল্লাহপাক তাঁকে মানুষের কাছে আশার এবং মানুষের জন্য কিছু করার তথাপি রাজনৈতিক জীবনের র্কীতিমান রাখার সুযোগ করে দিয়েছেনে। আজ তিনি সোনারগাঁয়ের মানুষের অভিভাবক । আর এই সোনারগাঁই তাঁর পৃতিভূম। তাই তিনি সোনারগাঁকে উন্নয়নশীল উপজেলা হিসেবে দেখতে চান। আর এই উপজেলার উন্নয়ন সারাদেশের প্রত্যকটি উপজেলার জন্য পথ পর্দশক হয়ে থাকবে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্দ্ধের পরে বহু রাজনৈতিক দল সরকার গঠন করেছে, বহু এমপি , মন্ত্রী এই সোনারগাঁবাসী দেখেছে,বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সরকার আমলে বিভিন্ন মন্ত্রীদরে হাত দিয়ে এই সোনারগাঁয়রে অনেক উন্নয়নই সাধিত হয়েছে। তারপরেও কেন জানি বাংলাদেশের এই প্রাক্তন রাজধানী সোনারাগাঁ কানায় কানায় পূরণ হয়নি এখনো মুখ থুবড়ে পরে আছে বহু উন্নয়ন। এই সোনারগাঁ উপজেলার অনকে ইউনিয়নই রয়েছে যেখানে যোগাযোগের অচল অবস্থা বিরাজ করছিল যা র্বতমান স্থানীয় সংসদ সদস্যরে হাতের ছোয়ায় ওই সকল বঞ্চিত উন্নয়ন কাজগুলোর বাস্তবায়িত হচ্ছে যা সকল ইউনিয়নবাসীর মাঝে আশার প্রতিফলন ঘটেছে সোনারগাঁয়রে বিভিন্ন ইউনিয়নের স্কুল কলেজ ও র্ধমীয় শিক্ষা প্রতষ্ঠিানগুলোর ভবনগুলো অপরিকক্পিতভাবে তৈরি হয়েছে বেশিরভাগ প্রাইমারী স্কুলগুলোতে বাচ্চারা বাইরে বসে পাঠদান করে যে বিষয়টা মাননীয় সংসদ সদস্যরে মনে আঘাত হানে তাই তিনি সোনারগাঁয়ের কৃতি সন্তান হিসেবে সারা সোনারগাঁ উপজেলা ঘুরে ঘুরে দেখেছেন কোথায় কি উন্নয়ন অবশষ্টি রয়েছে সেগুলো পুনরায় নিজেস্ব গতিতে একান্ত চেষ্টার মধ্য দিয়ে তা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে দিনারাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন । জানি না সোনারগাঁবাসী তাদরে এই সঠিক নেতাটিকে চিন্তে পারবে কিনা । তবে আমাদের বিশ্বাস জননেতা লিয়াকত হোসনে খোকা কখনই থেমে যাবেন না ,হারিয়েও যাবেন  না, উন্নয়নের চাকা ঘুরছে ঘুরবে ঘুরতেই থাকবে। তাই আমাদের সোনারগাঁবাসীর প্রতি অনুরোধ নিজেদের বুদ্ধিমত্তাকে জাগান, নিজেরা বিচার বিশ্লেষন করতে শিখুন । নেতা বা নেতৃত্বে কি? তা নির্বাচন করতে শিখুন। আমাদের নেতা জননেতা লিয়াকত হোসেন খোকা যেভাবে জনগনের দ্বারপ্রান্তে যাচ্ছেন এভাবে কোন এমপি বা মন্ত্রী জনগনের কাছে গিয়েছে কিনা তা একবার ভেবে দেখবেন। জননেতা লিয়াকত খোকা প্রতিদিন অফিসে এসে বসে থাকেন জনগনের জন্য। তিনি সোনারগাঁয়ের প্রতিটি অঞ্চলে সব অনুষ্ঠানের মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি তাঁর বক্তব্যে একটি কথাই বলেন আমি আপনাদেরই সন্তান, কারো মামা, কারো চাচা, কারো ভাই সর্বোপরী আপনাদের পরিবারের সদস্য হয়ে থাকতে চাই। আমাদের নেতা লিয়াকত হোসেন খোকা আল্লাহ তায়ালার কাছে একটি দোয়াই করেন আমার মৃত্যুর পরে আমার কবর যেন সোনারগাঁও বাসীর মাঝে হয়।
আমার লেখার মধ্যে যদি কোন রকম ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে তাহলে সবাই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। 

Post a Comment

Disqus