র্বতমান র্বাতা ডট কম / ৪ জুন ২০১৫ /  সোনারগাঁয়ে যৌতুকের দাবীতে শারমিন আক্তার নামের এক গৃহবধূকে দীর্ঘ দিন গৃহবন্দি রেখে তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ শারমিনকে জোরপূর্বক প্রসব করিয়ে নবজাতকের লাশ গুম করে রাখছে শ্বশুড় বাড়ীর লোকজন। নির্যাতিত গৃহবধূ শারমিনের বাবা বাদী হয়ে নারী নির্যাতন ও নবজাতকের লাশ গুমের ঘটনায় স্বামী আব্দুল কাদির, দেবর, ভাসুর, ননদ, শ্বশুড় ও শ্বাশুড়ীর বিরুদ্ধে সোনারগাঁও থানায় গত দু’মাস পূর্বে একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হলেও গুম করা নবজাতকের লাশ সোনারগাঁও থানা পুলিশ উদ্ধার করতে পারেনি। নির্যাতনে আহত গৃহবধূ শারমিনকে শ্বশুড় বাড়ীর বন্দীদশা থেকে এলাকবাসীর সহায়তায় তার বাবা মমতাজ উদ্দিন উদ্ধার করে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে। এ ব্যাপারে গৃহবধূ নির্যাতন ঘটনায় শারমিনের বাবা সোনারগাঁও থানায় মামলা দায়ের করলেও পুলিশ অজ্ঞাত কারণে আসামীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় নারী নির্যাতন মামলার আসামীদের মধ্যে প্রধান আসামী আব্দুল কাদির আত্মগোপনে থেকে বিদেশে চলে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। অন্য আসামীরা জামিনে বেরিয়ে এসে মামলা তুলে নিতে গৃহবধূ শামিনসহ মামলার বাদীকে ও তার পরিবারের লোকজনকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে এবং গৃহবধূ শারমিনকে আর কোনো দিন পুত্র বধূ হিসেবে তাদের বাড়ীতে নিবেনা এবং তাকে তালাক প্রদান করা হবে হুমকি দিচ্ছে। এ নির্যাতন ঘটনার পর থেকে গৃহবধূ শারমিন আক্তার পিত্রালয়ে অতি কষ্টে জীবন-যাপন করলেও শ্বশুড় বাড়ীর কেউই তার খোঁজ নেয়নি বরং তাকে তালাক প্রদান করার হুমকি দিচ্ছে তার শ্বশুড় বাড়ীর লোকজন। শারমিন ও তার অভিবাভকরা অভিযোগ করে জানান, অত্র এলাকার মৃত-মান্নানের ছেলে মাতাব্বর কালামসহ অন্য মাতাব্বররা আসামীদের পক্ষ নিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দিতে উঠে পড়ে লাগছে এবং নির্যাতিতাকে সহ তার পরিবারের লোকজনকে মামলা তুলে নিতে প্রতিনিয়ত হুমকি প্রদান করছে।  জানায়, ঘটনা প্রায় দু’মাস অতিবাহিত হলেও নবজাতকের লাশ পুলিশ উদ্ধার করতে না পারায় তারা ধারনা করছে আসামীদের সাথে পুলিশের যোগসাজশে আসামীরা লাশ গুম  করেছে। এদিকে, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বস্তল গ্রামে এ বিষয়টি এলাকবাসীর মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে এবং পুলিশের এহেন ভূমিকায় আইন-শৃংখলা বাহিনীর প্রতি এলাকাবাসী আস্থা হারিরেয়ে ফেলছে। এলাকাবাসী ও মামলার বাদী মমতাজ উদ্দিন নবজাতকের লাশ উদ্ধারে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠ ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।



Post a Comment

Disqus