বর্তমান বার্তা ডট কম / ১৬ জুন ২০১৫ / নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা আওয়ামীলীগে দীর্ঘদিন ধরে বিরাজ করছে অচলাবস্থা। নেতা কর্মীরা নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ায় জাতীয় এবং স্থানীয় কোন কর্মসূচিই যথাযথভাবে পালিত হয়না বলে দলের বিভিন্ন সূত্র জানায়। এক যুগ ধরে সম্মেলন না হওয়া, ক্ষমতাসীন দলের হয়েও উন্নয়ন কর্মকান্ডে নেতা-কর্মীদের অংশ গ্রহণের সুযোগ না থাকা, স্থানীয় কর্মকান্ডে নেতৃত্ব ও কর্তৃত্বের অভাব, গত এক দশকে নতুন কোন কর্মী তৈরি না হওয়া , পরস্পর আস্থাহীনতা, অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও অসন্তোষ নিস্ক্রিয়তার মূল কারণ বলে জানা গেছে। একই কারণে স্তিমিত হয়ে পড়েছে সংগঠনের কার্যক্রম।
উপরন্তু টেন্ডারবাজি ও দখলবাজি নিয়ে সংঘাত সংঘর্ষ দলটিকে আরও বেকায়দায় ফেলেছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছেন। বর্তমানে শীষর্ নেতাদের সঙ্গে তৃণমূলের কোন সম্পর্ক নেই বললেই চলে। সুসম্পর্কের অভাবে চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে সাংগঠনিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া অন্যদল থেকে সংসদ সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় হতাশার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে বন্দর থানা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।
সূত্র জানায়, বন্দর সিরাজদৌল্লা ক্লাব মাঠে ২০০৪ সালের ১৮ জানুয়ারী বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এমএ রশিদ সভাপতি ও খুরশিদ আলম সাগর সাধারণ সম্পাদক হন। এরপর আর কোন সম্মেলন হয়নি। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে চলছে কার্যক্রম। এক যুগ আগের মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটিতে বিরাজ করছে হযবরল অবস্থা। এেিদক সম্মেলন অনুষ্ঠানে ন্যুনতম তাগাদা নেই। এ ছাড়া উপজেলার কয়েকটি এলাকা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় সম্মেলন অনুষ্ঠানেও জটিলতা দেখা দিয়েছে। সুত্র জানায়, ২০০৪ সালের সম্মেলনের কিছুদিন পর দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগে খুরশিদ আলম সাগরকে বহিস্কার করা হয়। কয়েক বছর পর তার বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা এক নেতা জানান, গত এক দশক ধরে থানা আওয়ামীলীগের কোন তৎপরতা নেই। তিনি নিজেও নামকাওয়াস্তে একটি বড় পদ আগলে আছেন বলেন জানান। তার কোন কর্মকান্ড নেই, নেই কোন ভুমিকা। অজ্ঞাত কারণে তাকে নিস্ক্রিয় করে রাখা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগের সুরে বলেন। ক্ষমতাসীন দলের হয়েও শুধু মাত্র এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান নিজ দলের না থাকায় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা যেন এখন বিরোধী পক্ষ। সভা, সেমিনার, দলীয় কোন কর্মকান্ডে নেতাকর্মীদের ডাকা হয়না। কর্মীদের অভিযোগ , এমপি জাতীয় পার্টির এবং উপজেলা চেয়ারম্যান বিএনপির হওয়ায় তাদের দুঃখ কষ্ট বলার কোন জায়গা নেই। নেতাকর্মীরা জানান, সম্প্রতি বিআইএমটিতে টেন্ডারবাজি নিয়ে সংঘাত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আওয়ামীলীগের নামধারী এক নেতা জড়িত। এ ছাড়া বন্দর বেবী স্ট্যান্ডের দখল নিয়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। দলীয় বিশৃংখল অবস্থার কারণে এমনটি ঘটছে বলে তারা জানান। এতে দলীয় ভাবমূর্তি প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে বলে তৃণমূলের ধারণা। এ নিয়ে তৃণমূলে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।সোনারগাঁয়ে ফসলী জমির মাটি কাটা বন্ধের দাবিতে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে স্মারক লিপি প্রদান
বর্তমান বার্তা ডট কম / ১৬ জুন ২০১৫ / সোনারগাঁ উপজেলার সম্ভুপুরা ইউনিয়নের ১০ গ্রামের মানুষ নিজেদের ফসলী জমি বাঁচাতে উপজেলা নির্বাহী কমকর্তার কাছে গতকাল মঙ্গলবার সকালে স্মারক লিপি প্রদান করেন ভ’ক্তভোগি কৃষকরা ।
জানা গেছে সম্ভুপুরা ইউনিয়নের দশদোনা,গজারিয়াপাড়,দড়িগাও,চেলারচর,সুর্বনগ্রাম সহ ১০ গ্রামের লোকজন নিজেদের ফসলী জমি হারানোর ভয়ে আতংকিত । মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বলাকিচর এলাকার সন্ত্রাসী নাজমুল বাহিনী লোকজন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ফসলী জমির মাটি কেটে নিচ্ছে। সোনারগাঁয়ের কৃষকদের ফসলী জমি ড্রেজারদিয়ে কেটে নেয়ার অভিযোগ করে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু নাছের ভ’ঁঞার কাছে এ স্মারক প্রধান করে ।
ওই এলাকার সাধারণ কৃষক তৈয়ত আলী, আঃ সোবাহান,আক্তার হোসেন, আলী মিয়া, জালাল উদ্দিন বলেন, মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বলাকিচর এলাকার সন্ত্রাসী নাজমুল বাহিনী লোকজন নিয়ে অবৈধভাবে সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা নদীর তীর ঘেষে সম্ভুপুরা ইউনিয়নের দশ গ্রামের মানুষ ফসলী জমি দীর্ঘদিন ধরে ফসলী জমির মাটি কেটে নিচ্ছে। এতে করে নদী ঘেষা দশটি গ্রাম নদী গর্ভে বিলিন হওয়ার আসংকা রয়েছে । এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু নাছের ভূঁঞা বলেন ঐ এলাকার বালু বা মাটি কাটার জন্য কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যাক্তিকে ইজারা দেয়া হয়নি । মাটি কাটা বন্ধ করতে শিগ্রই প্রশাসনিক ব্যাবস্থা নেয়া হবে ।
সোনারগাঁয়ে ফসলী জমির মাটি কাটা বন্ধের দাবিতে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে স্মারক লিপি প্রদান
বর্তমান বার্তা ডট কম / ১৬ জুন ২০১৫ / সোনারগাঁ উপজেলার সম্ভুপুরা ইউনিয়নের ১০ গ্রামের মানুষ নিজেদের ফসলী জমি বাঁচাতে উপজেলা নির্বাহী কমকর্তার কাছে গতকাল মঙ্গলবার সকালে স্মারক লিপি প্রদান করেন ভ’ক্তভোগি কৃষকরা ।
জানা গেছে সম্ভুপুরা ইউনিয়নের দশদোনা,গজারিয়াপাড়,দড়িগাও,চেলারচর,সুর্বনগ্রাম সহ ১০ গ্রামের লোকজন নিজেদের ফসলী জমি হারানোর ভয়ে আতংকিত । মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বলাকিচর এলাকার সন্ত্রাসী নাজমুল বাহিনী লোকজন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ফসলী জমির মাটি কেটে নিচ্ছে। সোনারগাঁয়ের কৃষকদের ফসলী জমি ড্রেজারদিয়ে কেটে নেয়ার অভিযোগ করে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু নাছের ভ’ঁঞার কাছে এ স্মারক প্রধান করে ।
ওই এলাকার সাধারণ কৃষক তৈয়ত আলী, আঃ সোবাহান,আক্তার হোসেন, আলী মিয়া, জালাল উদ্দিন বলেন, মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বলাকিচর এলাকার সন্ত্রাসী নাজমুল বাহিনী লোকজন নিয়ে অবৈধভাবে সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা নদীর তীর ঘেষে সম্ভুপুরা ইউনিয়নের দশ গ্রামের মানুষ ফসলী জমি দীর্ঘদিন ধরে ফসলী জমির মাটি কেটে নিচ্ছে। এতে করে নদী ঘেষা দশটি গ্রাম নদী গর্ভে বিলিন হওয়ার আসংকা রয়েছে । এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু নাছের ভূঁঞা বলেন ঐ এলাকার বালু বা মাটি কাটার জন্য কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যাক্তিকে ইজারা দেয়া হয়নি । মাটি কাটা বন্ধ করতে শিগ্রই প্রশাসনিক ব্যাবস্থা নেয়া হবে ।
Post a Comment
Facebook Disqus